যশোরের চৌগাছা-মহেশপুর সড়কের বয়সাগাড়ী খালের ওপর নির্মিত সেতুতে ফাটল দেখা দিয়েছে। সেতুর দুই পাশে যাত্রী সাধারণকে সাবধান করার জন্য সাইন বোর্ড টাঙানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ভেঙে পড়েছে দুই পাশের রেলিং। ভাঙা অংশটি ক্রমেই বড় হচ্ছে। ফলে চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সেতুটি। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন মানুষ ও যানবাহন। ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
গত মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিন দেখা যায়, সরু সেতুটির বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। মহেশপুর ও চৌগাছা উপজেলার যোগাযোগের মাধ্যম একমাত্র মাধ্যম এ সড়কটি। আর এই সড়কের বয়সাগাড়ী খালের উপর সেতুটি এখন মারণফাঁদে পরিণত হয়েছে। হরহামেশাই এখানে ঘটছে দুর্ঘটনা। স্থানীয় আন্দারকোটা গ্রামের শাহিনুর রহমান, হাফিজুর রহমান, আলা বিশ্বাস ও মাস্টার আবদুল মতিনসহ অনেকের দাবি, সড়কের চেয়ে সেতুটি সরু হওয়ায় এখানে হরহামেশাই দুর্ঘটনা ঘটে।
উপজেলার টেঙ্গুরপুর গ্রামের আবদুল মুন্নাফ কালু মিয়া বলেন, সেতুটি অনেক দিনের পুরনো। বেশ দুর্বল হয়ে বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। এ সেতু দিয়ে প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। বলা চলে এ অঞ্চলের মানুষের এটিই একমাত্র চলাচলের সড়ক। যা সংযুক্ত হয়েছে চৌগাছা উপজেলা সদর, মহেশপুর উপজেলা সদর ও কোটচাদপুর উপজেলায়। সেতুতে ফাটল দেখা দেয়ায় এ এলাকার যানবাহন ও পথচারীদের পারাপারে দারুণ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনেকে হচ্ছেন দুর্ঘটনার শিকার। অনেক পুরাতন হওয়ায় সেতুর দুই পশের রেলিংও ভেঙে গেছে।
স্বরুপদাহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল কদর বলেন, সেতুটি অনেক বছর আগে এলজিইডি নির্মাণ করেছিল। পুরনো হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা গেছে। যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগ বরাবর এ বিষয়ে জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ সেতুটির দু’পাশে সাইন বোর্ড দিয়ে দিয়েছেন।
চৌগাছা উপজেলা প্রকৌশলী রিয়াসাত ইমতিয়াজ বলেন, চৌগাছা-মহেশপুর সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের। ফলে তারা কি ভাবছেন তা আমার জানা নেই।
এ ব্যাপারে যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, গত বছর এলজিইডির কাছ থেকে ওই সড়কটি আমাদের দফতরভুক্ত হয়েছে। খবর পেয়েছি, আমি নিজে সরেজমিন খোঁজখবর নিয়ে সেতুটি পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা নেবো।
চৌগাছা-মহেশপুর সড়কে বয়সাগাড়ী সেতুতে ফাটল
যশোরের চৌগাছা-মহেশপুর সড়কের বয়সাগাড়ী খালের ওপর নির্মিত সেতুতে ফাটল দেখা দিয়েছে। সেতুর দুই পাশে যাত্রী সাধারণকে সাবধান করার জন্য সাইন বোর্ড টাঙানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ভেঙে...



