শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে রহস্যজনকভাবে অন্তত ৩০টি কোরআন পুড়েছে। একই সাথে পুড়েছে কিছু কায়দা ও আমপারা।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) ভোরে উপজেলার রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নে গাছগড়া উত্তরপাড়া কেরাতিয়া মাদরাসায় (মক্তব) এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় মুসল্লিরা ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে মাদরাসার মেঝেতে কোরআন পোড়া অবস্থায় দেখতে পায়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন শেরপুর পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফখরুল ইসলাম জুয়েল, সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) রায়হানা ইয়াসমিন, নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোকছেদুর রহমান লেবু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার খ্রিস্টফার হিমেল রিছিল, নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমদাদুল হক, নালিতাবাড়ী পৌরসভার মেয়র আবু বকর সিদ্দিক, রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুর আল মামুনসহ স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা।

মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ জহুরুল হক বলেন, ‘সকালে কোরআন পোড়ানোর বিষয়টি জানতে পেরে মাদরাসায় গিয়ে মেঝেতে পোড়ানো আবস্থায় কোরআন দেখতে পাই।’

স্থানীয় জয়নাল আবেদিন ও সাইমদ্দিন অনুমানিক ২০ বছর আগে পাঁচ শতক জমি দিয়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন। মাদরাসাটিতে বর্তমানে একজন শিক্ষক প্রায় ৪৫ জন ছেলে-মেয়েকে কোরআন শিক্ষা দেন।