এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার পুটিয়াখালী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ৫ পেয়েছে রেমিজা আক্তার। উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী গ্রামের ক্ষুদ্র কৃষক খোকন হাওলাদার ও গৃহিণী সালমা বেগম দম্পতির তিন ছেলে-মেয়ের মধ্যে রেমিজা সবার বড়। রেমিজা পাড়া প্রতিবেশী শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের পড়ালেখার খরচ চালাত।
নবম-দশম শ্রেণীতে থাকা অবস্থায় বাড়ির আশপাশের ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের পড়ালেখার খরচ জোগাতো রেমিজা। মা সালমা অসুস্থ থাকায় বাড়িতে রান্নার কাজও করতে হতো। সংসারে অভাব অনটনের কারণে বাবার কৃষিকাজেও মাঝে মাঝে সে সহযোগিতা করত।
রেমিজার মা সালমা বলেন, টাকার অভাবে যখন আমার উন্নত চিকিৎসা চলছিল না, তখন মেয়ের পড়ালেখার খরচ চালানো বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় পাড়া-প্রতিবেশী শিক্ষার্থীদের সে প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের পড়ালেখার খরচ সংগ্রহ করত।
বাবা খোকন হাওলাদার বলেন, অভাব অনটনের কারণে রেমিজা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারত না।
পুটিয়াখালী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক স্বপন কুমার ঢালী বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি ২০২২ সালে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় উপজেলা ও জেলাপর্যায়ে প্রথম হয়েছিল রেমিজা। মেধা থাকা সত্ত্বেও ভবিষ্যতে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া নিয়ে পরিবার শঙ্কিত হলেও নিজের ওপর আস্থা হারাচ্ছে না রেমিজা।
এ বিষয় রেমিজা আক্তার বলে, আমি ছোটবেলা থেকেই সংগ্রাম কে র এতদূর এসেছি। তাই আগামীতেও সংগ্রাম করে মা-বাবার স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা চালিয়ে যাবো।
এ সফলতার পেছনে আমার মা-বাবা ও শিক্ষকদের অবদান রয়েছে। ভবিষ্যতে শিক্ষক ও লেখক হওয়ার ইচ্ছা আছে আমার।
নিজের উপার্জিত টাকায় পড়ালেখা চালিয়ে জিপিএ-৫ লাভ
এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার পুটিয়াখালী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ৫ পেয়েছে রেমিজা আক্তার। উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী গ্রামের ক্ষুদ্র...



