বাগেরহাটের নাগেরবাজারে ৯৯৯ নম্বরে কল করে মাকে হত্যার দায়ে বাবাকে পুলিশে দিয়েছে মেয়ে।
শনিবার (৫ আগস্ট) দুপুরে সেফটি ট্যাংকির ভেতর থেকে গন্ধ পেয়ে বস্তা বন্দী লাশ ভাসতে দেখে বাবাকে নিখোঁজ মায়ের হত্যাকারী হিসেবে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয় মেয়ে পুর্ণিমা। এ ঘটনায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।
নিহত নারী নাম ফিরোজা বেগম ওরফে রুমা (৩৮)। তিনি বাগেরহাটের দেওয়ানবাটী এলাকার গফুর মোল্লার মেয়ে।
আটক নিহতের স্বামীর নাম আলী হোসেন মোল্লা। তিনি বাগেরহাট শহরের নাগেরবাজার এলাকার আজিজ মোল্লাহর ছেলে।
পুলিশ মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, আটক আলী হোসেন মোল্লাহর সাথে ফিরোজা বেগম ওরফে রুমার পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রতিনিয়ত ঝগড়া-বিবাদ লেগে ছিল। ১৫-২০ দিন ধরে রুমার নিখোঁজের খবর পেয়ে তার বিবাহিত মেয়ে পুর্ণিমা (১৮) পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থানার কারিকর পাড়া এলাকা থেকে নাগেরবাজার এলাকায় বসবাসরত তার বাবার আলী হোসেনের বাড়িতে আসেন। দুপুরে মেয়ে তার মা কিভাবে নিখোঁজ হয়েছে সে বিষয়ে বাবা আলী হোসেনের কাছে জানতে চান। একপর্যায়ে পাশের সেফটি ট্যাংকি থেকে গন্ধ বের হতে থাকলে মেয়ে ট্যাংকির মুখ খুলে দেখতে পান একটি বস্তায় কী যেন ভাসছে। এ সময় বাবা বিষয়টি পের পেয়ে পালিয়ে যেতে চাইলে মেয়ে ৯৯৯ নম্বর কল দিয়ে তাকে পুলিশে ধরিয়ে দেন।
এ ঘটনায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।
ইতোপূর্বে আসামি নিজেই স্ত্রী রুমা নিখোঁজ মর্মে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় গত ৩ আগস্ট একটি সাধারণ ডায়েরি করেন বলেও জানায় পুলিশ।



