দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর-হরিরামপুর-সদরের আংশিক) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়া সংগঠক ও ফুটবলার দেওয়ান সফিউল আরেফিন টুটুল। এ লক্ষ্যে তিনি নির্বাচনী এলাকায় সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে সভা-সমাবেশ ও মতবিনিময় করছেন। অনেকে বলছেন, একজন সৎ ও স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ হিসেবে তার রয়েছে যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা। তৃণমূল পর্যায়েও রয়েছে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা।
মানিকগঞ্জ-২ আসনে কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম টানা তিন মেয়াদে এমপি নির্বাচিত হয়ে এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করায় দলীয় কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে। এতে করে প্রকাশ্যে তার বিরোধিতা করছেন নির্বাচনী এলাকার সিংগাইর উপজেলা চেয়ারম্যান মুশফিকুর রহমান খান হান্নান ও হরিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান। ইউপি চেয়ারম্যানদেরকেও দেখা যাচ্ছে না এমপির রাজনৈতিক প্রোগ্রামগুলোতে। এতে হেভিওয়েট প্রার্থী ও ত্যাগী নেতা হিসেবে দেওয়ান সফিউল আরেফিন টুটুলের পাল্লা ভারী বলে মনে করছেন তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
১৯৯৮ সাল থেকে শুরু করে ১/১১-সহ বিভিন্ন ক্রান্তিকালে আওয়ামী লীগের সাথে থাকা টুটুল নয়া দিগন্তকে বলেন, আমি আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিলে বিজয়ী হয়ে এ জনপদের ব্যাপক উন্নয়নে কাজ করব।