সাতকানিয়ায় বন্যার পানি কমে যাওয়ায় ফলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ও কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কে যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সকাল থেকে চালু হয়েছে সড়ক যোগাযোগ।
এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলো থেকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার বন্যা কবলিত এলাকার মানুষগুলো ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। তবে বন্যার পানি উচু এলাকা থেকে নেমে গেলেও এখনো নিচু এলাকার অনেক বসতবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে আছে। বন্যার পানি নামার সাথে সাথে বন্যা কবলিত এলাকার মানুষগুলো নিরাপদ পানি, খাদ্য সঙ্কট ও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এদিকে গত চারদিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকার ফলে বানভাসি মানুষগুলো আরো চরম সঙ্কটের পড়েছে। টানা প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে সাতকানিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। এতে উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে। বন্যার পানিতে শত শত বসতঘর, দোকানপাট, ফসলের ক্ষেত, মৎস্য প্রজেক্ট ও পুকুর ডুবে গিয়ে কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ দিকে বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়ে উপজেলা বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজনের মৃত্যর সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে।



