গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার বান্ধাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মহব্বত আলী গোলদারের কাণ্ড দেখে হতবাক হয়েছেন এলাকাবাসী। তার মতো একজন ব্যক্তির দ্বারা কিভাবে এহেন কাজ হতে পারে, সেটাই এখন এলাকার সবার মুখে মুখে।
জানা যায়, মহব্বত আলী গত রোববার সন্ধ্যায় বান্ধাবাড়ী গ্রামের সৈয়দ আলী মৃধার ছেলে ফরিদুজ্জামান মৃধাকে (৪৭) জায়গাজমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তুলাতলা বাজারে বেধড়ক মারধরে আহত করেন। নাছির হাওলাদারসহ স্থানীয় জনতা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কোটালীপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রবীণ এই সমাজপতির কাণ্ডজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড দেখে ইউপি সদস্য মাসুম শেখ, আব্দুর রব মোল্লা, রফিকুল ইসলাম, আবুল কালাম, গোলাম মওলা, মোয়াজ্জেম শেখসহ একাধিক এলাকাবাসী সাংবাদিকদের বলেন, মহব্বত চেয়ারম্যান বিনা কারণে ফরিদকে মারধর করেছেন।
ভুক্তভোগী ফরিদুজ্জামান বলেন, মহব্বতের কাছে জমি বিক্রির সময় কথা ছিল যে ভিপি সংশোধন হলে দলিল দেবো, টাকাও বাকি রয়েছে। অতর্কিতভাবে সে আমার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেছে।
এ বিষয়ে সাবেক চেয়ারম্যান মহব্বত আলী গোলদার বলেন, আমি তাকে একটা চড় মেরেছি, কাজটা আমার ঠিক হয় নাই, আমি আসামি। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগের প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা গেছে।