কিশোরগগঞ্জের কটিয়াদীতে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কটিয়াদীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৫জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়াও উপজেলার ৯০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। ৩০ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। অন্য রোগীরা জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় এ পর্যন্ত মোট ৯০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন পাঁচজন রোগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। সুস্থ হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছেড়েছেন ৩০ জন ডেঙ্গু রোগী। অন্য রোগীরা জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। তবে এই সময়ের মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হয়নি।
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী তারিফুর রহমান জানান, চট্টগ্রামে একটি শিপে কাজ করা অবস্থায় তার জ্বর আসে। বাড়িতে এসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসলে ডেঙ্গু রোগ ধরা পড়ে। পরে চার দিন ধরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছি। আমার গ্রামের বাড়ি পার্শ্ববর্তী মনোহরদী উপজেলার বীরগাঁও গ্রামে।
কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তব্যরত সিনিয়র নার্স শাহনাজ পারভীন জানান, হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণ হওয়ার কারণে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা কোনো ওয়ার্ড নেই। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলায় মেডিসিন বিভাগের পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ডে মশারি টানিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: এস এম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড নেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের কঠোর সতর্কতার সাথে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আক্রান্ত রোগীরা উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী উপজেলার বাসিন্দা হলেও তারা রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য জায়গা থেকে আক্রান্ত হয়ে এসেছেন।