বরগুনার বেতাগীতে দশম শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে হামিদুর রহমান বাছেদ (২৮) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ আগস্ট রাত ৮টার দিকে প্রকৃতির ডাকে বাইরে বের হন ভিকটিম। এ সময় বাছেদ জোরপূর্বক পাশের আম বাগানে নিয়ে যান তাকে। তার মনের ভাসনা পূরণে রাজি না হওয়ায় জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ভিকটিমের ডাক চিৎকারে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া মনির ফকির ঘটনাস্থলে গেলে বাছেদ পালিয়ে যান। স্থানীয়দের মাঝে জানাজানি হলে মীমাংসার প্রস্তাব দিলে শিক্ষার্থীর মা ও বাবা থানায় জানালে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করেন বেতাগী থানার এএসআই রফিকুল ইসলাম। পরে ধর্ষণের অভিযোগে বেতাগী থানায় মেয়ের বাবা আব্দুল জলিল মামলা করেন। ওই শিক্ষার্থী আরএলজিএফ ইসলামিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণিতে পড়েন।

অভিযুক্ত হামিদুর রহমান বাছেদ রাণীপুর এলাকার মৌলবি ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। ইতোমধ্যে তিনটি মেয়েকে বিয়ে করলেও সংসার টিকেনি বাছেদের সাথে। গত দুই মাস থেকে অভিযোগকারী মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে রাজি না হওয়ায় এমন জঘন্য সিদ্ধান্ত নেয় বাছেদ। এমনটাই জানা যায় অভিযোগে। তবে এলাকা থেকে জানা যায় প্রেমের প্রস্তাব নয় তাদের দু’জনের মধ্যে প্রেম ভালোবাসা ছিল।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, ওই দিন তার ইজ্জত লুটিয়ে নিতে জোরাজোরি করেন বাছেদ। চিৎকার চেঁচামিচি করলে মানুষ জড়ো হলে পালিয়ে যান তিনি।

তবে প্রেম ভালোবাসার কথা জিজ্ঞেস করলে কথা বলেনি শিক্ষার্থী। এলাকার কিছু মানুষ জানায়, মেয়ে ওই ছেলেকে বিয়ে করার জন্য এর আগে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেও পরিবার মেনে নেয়নি। এরপর এ ঘটনা ঘটে।

এই বিষয়ে বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা অভিযোগ আমলে নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’