চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার রায়পুরের কামারপাড়ায় পেয়ারাবাগান কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এতে ভুক্তভোগী কৃষকের প্রায় দু’লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। পেয়ারাবাগানের জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। রোববার ভোরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জীবননগর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।
উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের রায়পুর কামারপাড়ার মৃত আব্দুল গফুর মণ্ডলের ছেলে রুহুল আমিন দলু অভিযোগ করে বলেন, বাড়িসংলগ্ন মাঠের এক বিঘা জমিতে আড়াই বছর আগে আমি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পেয়ারাবাগান করি। কিন্তু জমির একাংশ আমার এক বোন অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। এতে আমরা আপত্তি তুলে আদালতে হকসেবা মামলা করি। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ রায়পুর বাজারপাড়ার রহুল কুদ্দুস মোল্যার ছেলে সাদ্দাম হোসেন, আবু হুরাইরা ও তাদের আত্মীয় আব্দুল হামিদের ছেলে কবির রোববার ভোর ৫টার দিকে ধারালো দা দিয়ে ৩০ শতক জমির মধ্যে ২০ শতক জমির ১৫০টি ফলন্ত পেয়ারাগাছ কেটে ফেলে। এতে তাদের দু’লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
অভিযুক্ত কবির হোসেন বলেন, আমি তো ঘুম থেকেই ৭টার পরে উঠি। আমি কিভাবে গাছ কাটতে গেলাম? আমাদের বিরুদ্ধে পেয়ারাগাছ কাটার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। রুহুলরা বরং মামলায় সুবিধা নিতে নিজেরাই গাছ কেটে আমাদেরকে দোষারোপ করছে।
রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান মীর্জা তাহাজ্জুদ হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে উভয়পক্ষই আমার কাছে এসেছিল। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘটনাটি যারাই ঘটিয়েছে তাদের শাস্তি হওয়া দরকার।
জীবননগর থানার ওসি জাবিদ হাসান বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনা তদন্তসাপেক্ষে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এমন ঘটনা কারো কাম্য নয়।