পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে কোনো গৃহস্থের বাড়ি থেকে বেপারীদের কেনা ৫০ টাকার ডাব ঢাকায় এসে ১৫০ টাকা হয়ে যায়। কখনো কখনো তা বেড়ে ২০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়। গত বুধবার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সরেজমিন দেখা গেছে, বেপারীরা গ্রামে ঘুরে গৃহস্থের বাড়ি থেকে ৪৫-৫০ টাকা দরে ডাব কিনছেন। ইন্দুরকানী গ্রামের ডাবের বেপারী জাকির মাতুব্বর বলেন, গৃহস্থ থেকে একটি ডাব ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছতে ছয়-সাতটি হাত বদল হয়। তবে সবচেয়ে বেশি লাভ করে খুচরা বিক্রেতারা। জাকির মাতুব্বর বলেন, তারা গৃহস্থের বাড়ির গাছে থাকা ডাব সাইজ ভেদে ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা দরে কিনেন। এরপর গাছীদের মাধ্যমে গাছ থেকে সেই ডাব নামিয়ে আনেন। এ ক্ষেত্রে গাছপ্রতি গাছীকে দিতে হয় ৫০ টাকা। ঢাকায় চালান দিতে ট্রাকের ভাড়া বাবদ প্রতিটি ডাবের জন্য খরচ হয় ৬ টাকা। এরপর ঢাকার আড়তদারকে ডাব প্রতি চার টাকা আড়তদারী দিতে হয়। আড়তে লেবার খরচ দিতে হয় প্রতি ডাবের জন্য এক টাকা। সেই হিসেবে গড়ে প্রতিশ’ ডাব ঢাকার আড়তে পৌছাতে সাত-আট হাজার টাকা খরচ হয়। ঢাকার বাজার ভালো থাকলে আড়তে প্রতিশ’ ডাব ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায় পাইকারী বিক্রি হয়। খুচরা বিক্রেতারা এই ডাব সুযোগ বুঝে ১৫০ টাকা বা তার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করেন। ডাবের বেপারী শহিদুল ইসলাম বলেন, আগে একটু কম দামে ডাব কেনা যেত। এখন ডেঙ্গু রোগের কারণে শহরে ডাবের দাম বেশি শুনে গৃহস্থরাও দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।
ইন্দুরকানীর ৫০ টাকার ডাব ঢাকায় এসে ১৫০ টাকা
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে কোনো গৃহস্থের বাড়ি থেকে বেপারীদের কেনা ৫০ টাকার ডাব ঢাকায় এসে ১৫০ টাকা হয়ে যায়। কখনো কখনো তা বেড়ে ২০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে...



