ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ২১টি ভারতীয় মহিষ আটক করেছে হালুয়াঘাট থানা পুলিশ।
শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ভুবনকুড়া ইউনিয়নের কুমারগাতী গ্রামের জবেদ আলীর ছেলে বাবুল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মহিষগুলো আটক করা হয়।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকার একদল চোরাকারবারি ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে গরু ও মহিষ আনছে। তারা এলাকায় গরু, মহিষ, ফেন্সিডিল, মদ ও সুপারীসহ নানা ভারতীয় পন্য রাতের আঁধারে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে এনে থাকে। ভারত থেকে বাংলাদেশে গরু ও মহিষ অবৈধভাবে প্রবেশ করানোর পূর্বে বিভিন্ন হাটবাজারের ইজারার কাগজ সংগ্রহ করেন পাচারকারিরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে মহিষগুলো ভারত থেকে চোরাকারবারিরা কুচপাড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে জব্দ করা মহিষগুলো বাংলাদেশে নিয়ে আসেন।
এ ঘটনার খবর পেয়ে হালুয়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন চন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে উপ-পুলিশ পরিদর্শক মাহাবুবুল আলম ও সহকারী উপ-পুলিশ পরির্দশক জাহিদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সের সহযোগিতায় শনিবার মহিষগুলো মালিক বিহীন জব্দ করে থানায় নিয়ে আসেন।
এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। মালিকবিহীন অবৈধ ভারতীয় মহিষগুলো বিভিন্ন চোরাকারবারিরা বিভিন্ন হাট বাজারের ইজারা রশিদের মাধ্যমে নিজেদের মালিকানায় নেয়ার জন্য বিভিন্ন প্রকারের কলা কৌশল করে যাচ্ছেন। জব্দ করা মহিষের আনুমানিক মূল্য ১৬ লাখ টাকা।
ঘটনার পর থেকে বাবুল মিয়া পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেয়ার জন্য চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম বলেন, মালিকবিহীন ২১টি মহিষ গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে জব্দ করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জব্দ করা মহিষগুলো ভারতীয়।
হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র রায় জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে কুমারগাতী গ্রামের জবেদ আলীর ছেলে বাবুল মিয়ার বাড়ি থেকে ২১টি মহিষ জব্দ করা হয়। বর্তমানে মহিষগুলো থানা হেফাজতে রয়েছে।



