দু’দিনেও খোঁজ মেলেনি দেওয়ানগঞ্জের নদীতে নিখোঁজ মাদরাসাছাত্রের লাশ। রোববার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত চেষ্টা করেও তার লাশ উদ্ধার করতে পারেনি ডুবুরী দল।
নিখোঁজ মাদরাসাছাত্র আব্দুল্লাহ সাজিম (১১) ডাংধরা ইউনিয়নের নিমাইমারী পশ্চিমপাড়া গ্রামের খোকা বেপারীর ছেলে। সে নিমাইমারী তানজিমুল উল্লাহ মাদরাসার ছাত্র।
স্থানীয়দের জানা যায়, রোববার দুপুরে সাজিম দুই বন্ধুর সাথে নদীতে গোসল করতে নামে। পরে তীব্র স্রোতে সে ভেসে যায়। অন্যরা সাঁতার কেটে পাড়ে উঠে। কিন্তু সাজিম উঠতে পারে না। এ সময় স্থানীয় লোকজন নদী পাড়ে জড়ো হয়। তাদের অনেকেই সাজিমকে খোঁজাখুঁজি করে। পরে তারা পাশের জেলা কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। তারা ও ময়মনসিংহ থেকে আগত ডুবুরী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তারা রোববার দুপুর থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আব্দুল্লাহ সাজিমের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
সোমবার সকালে উদ্ধারকারী দল উদ্ধার অভিযান বন্ধ করে চলে গেছে। আত্মীয়-স্বজন নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে সাজিমকে খোঁজাখুজি করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সমাজসেবক ফরিদুল ইসলাম।
উল্লেখ্য যে রোববার উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের সবুজপুর গ্রামের আমিনুল ইসলাম মিল্লাত (২১) নামের এক কৃষক নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে যান। এর আগে উপজেলার চুকাইবাড়ী ইউনিয়নের বাহাদুরাবাদ ঘাট ফুটানী বাজারে যমুনা নদীতে টিকটক করতে গিয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয় তাওহীদ আদনান আপন (১৬)। তারও খোঁজ মেলেনি আজ পর্যন্ত।



