গত ৩৬ দিনে জামালপুর জেলার সাত উপজেলার বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ ৩০টি গায়েবি মামলা করেছে বলে জানা গেছে।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মো: ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, 'বিভিন্ন সময়ে আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দেয়া হয়েছে। কিন্তু বর্তমান পুলিশ সুপার যোগদান করার মাত্র এক দিন পরই হঠাৎ ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে করা হয় গায়েবি মামলা।

তিনি দুঃখ করে বলেন, গত এক মাসেই জেলায় ৩০টিরও বেশি মামলা হয়েছে। প্রত্যেকটি মামলার ধরন একই বলে জানান তিনি।

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, '৩০ আগস্টের মামলায় আমাকে আসামি করা হয়েছে। ওই দিন আমি ঢাকায় ছিলাম। তারপরও আমাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। গত এক মাসে সদর উপজেলায় ছয়টি মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।

বিরোধী মত ও পক্ষকে এভাবে মামলা দিয়ে হয়রানি করা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন উল্লেখ করে জামালপুরের এক মানবাধিকারকর্মী বলেন, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের দমনে পুলিশ গায়েবি মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করছেন। এটি গণতন্ত্রের ভাষা নয় বলে মন্তব্য করেন মানবাধিকার ওই কর্মী।

জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য সাবেক এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু বলেন, পুলিশ আমার নির্বাচনী এলাকা (জামালপুর-২) ইসলামপুরের দুই শতাধিক নেতাকর্মীদর তালিকা করে একের পর এক গ্রেফতার করে একের পর এক মামলা দিয়ে জেলে পাঠায়।

পুলিশের তথাকথিত তালিকা ও গায়েবি মামলার কারণে সাধারণ মানুষগুলোও নিজ ঘরে ঘুমাতে পারছে না।