রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকার বস্তিগুলোর ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের ৬৭ ভাগ শিশুই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। এরা সবাই ভুগছেন অপুষ্টিতে। এ ছাড়া বয়স ও উচ্চতা বিবেচনায় রয়েছে বেশি ওজনের শিশুর সংখ্যা। এরমধ্যে ছেলে শিশুর তুলনায় কন্যা শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকির সংখ্যা বেশি।
সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরভবনের সভা কক্ষে ‘অনূর্ধ্ব ৫ বছর বয়সী শিশুদের পুষ্টিহীনতা যাচাই’ এর ফলাফল অবহিতকরণ সভায় এসব তথ্য জানান রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: কামরুজ্জামান ইবনে তাজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রুহুল আমীন মিঞা, সচিব উম্মে ফাতিমা, রংপুর সিটি করপোরেশনের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা: পলাশ কুমার রায়, মেডিক্যাল অফিসার ডা: সাদিয়া আফরিন সন্ধি, মেডিক্যাল অফিসার ডা: সুতপা দেব ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো: আব্দুল কাইয়ুম প্রমুখ।
সভায় রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: কামরুজ্জামান ইবনে তাজ জানান, চলতি বছরের ৫ জুন থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ইউনিসেফের সেভ দ্য চিলড্রেনের সহযোগিতায় অনূর্ধ্ব ৫ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে জরিপ কার্যক্রম চালানো হয়। নগর ভবনের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসা সেবা গ্রহীতাসহ নগরীর বিভিন্ন বস্তি এলাকার ৪ হাজার ৪০৬ জন শিশুকে নিয়ে এ জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে ৩৮ দশমিক ৬০ ভাগ শিশু অপুষ্টির শিকার, ২৮ দশমিক ৩৬ ভাগ শিশু ওজনে বেশি এবং ৩৩ দশমিক ০৪ ভাগ শিশু স্বাভাবিক শিশু হিসেবে চিহ্নিত হয়। এ ছাড়া ৭২ জন মারাত্মক অপুষ্টিতে ভোগা শিশু চিহ্নিত করা হয়। এসব শিশুর সুস্থতায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
ইউনিসেফের সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিবেদন
রংপুর মহানগরীর বস্তিগুলোর ৬৭ ভাগ শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে
রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকার বস্তিগুলোর ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের ৬৭ ভাগ শিশুই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। এরা সবাই ভুগছেন অপুষ্টিতে। এ ছাড়া বয়স ও উচ্চতা বিবেচনায়...



