কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আসাদ মিয়া (৫৫) নামে এক কৃষক বিদ্যুতে অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তার মুত্য হয়। এর আগে ৪০ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

আসাদ মিয়া জালালপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপুক্ষিয়া নয়াপাড়া গ্রামের মরহুম মুক্তার উদ্দিনের ছেলে। বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজনের কর্তব্য কাজে গাফিলতির কারণে এই দূর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাসেল মাহবুব জানান, ৬ আগস্ট তারিখে আসাদ মিয়া রাতে গোয়াল ঘরে রাখা গরুর খোঁজ নিতে গিয়ে টিনের বেড়ায় হাত দেয়া মাত্রই তার শরীর বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়ে। তার হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গা পুড়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে তার অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

আসাদ মিয়ার গোয়াল ঘরের ওপর দিয়ে ১১ কেভির (১১ হাজার ভোল্ট) এইচটি লাইনের একটি তার ছিড়ে গিয়ে ঘরের টিনের চালে লেগে সম্পূর্ণ ঘরটি বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। ফলে এই দূর্ঘটনাটি ঘটে। আসাদ মিয়ার অত্যান্ত গরিব মানুষ। তার স্ত্রী ও চার মেয়ে সন্তান রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজনের কর্তব্য কাজে গাফিলতির কারণে এই দূর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে আমরা মনে করি।

কটিয়াদী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের এজিএম শাহরিয়ার সৌরভ তন্ময় জানান, দক্ষিণ চরপুক্ষিয়া গ্রামে রাতে ফুটবল খেলার জন্য লোকজন তারে হুক লাগিয়ে চুরি করে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছিল। এ সময় স্পার্কিং করে তার ছিড়ে থাকতে পারে। এ বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ করেনি। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখব।