ময়মনসিহের ভালুকা পৌর এলাকা ও উপজেলার শিল্পাঞ্চল হবিরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে এখন তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের ছড়াছড়ি। এসব অবৈধ কাজের সাথে তিতাস গ্যাসের কিছু অসাধু ব্যক্তি ও ঠিকাদার জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগে উঠেছে। তিতাস কর্তৃপক্ষ লোকদেখানো দুই একটা অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেই তাদের দায়িত্ব শেষ করলেও গত আগস্ট মাস পর্যন্ত ওই অফিসের আওতায় গ্যাসের বকেয়া ছিলো ৩৬ কোটি টাকা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১৫ সালের পর থেকে আবাসিকভাবে তিতাস গ্যাসের সংযোগ দেয়া বন্ধ রয়েছে। ওই সময় থেকে চলতি ২০২৩ সাল পর্যন্ত পৌর এলাকাসহ উপজেলার শিল্পাঞ্চল হবিরবাড়ি, কাশর, মাস্টারবাড়ি, জামিরদিয়া, সিডস্টোর বাজার এবং গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ও গড়গড়িয়া মাষ্টারবাড়ি এলাকায় কয়েক হাজার বাসাবাড়ি ও বহুতল ভবন নির্মিত হয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও সরকারি কর্মকর্তাদের ছত্রছায়ায় তিতাস গ্যাসের একশ্রেণীর অসাধু ব্যক্তি ও ঠিকাদারদের যোগসাজশে এসব ভবনগুলোতে প্রতিনিয়তই নেয়া হচ্ছে অবৈধ সংযোগ। আর এসব অবৈধ সংযোগস্থলে রাখা হচ্ছে এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ভালুকা আঞ্চলিক বিপণন বিভাগের ব্যবস্থাপক শাহজাহান আলী জানান, ভালুকা অফিসের আওতায় আবাসিক সংযোগ রয়েছে আট হাজার তিনটি, বাণিজ্যিক ৪০টি, শিল্প ৮৪টি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী ১০৫টি। তার মাঝে আবাসিকে বকেয়া রয়েছে ছয় কোটি ৭০ লাখ টাকা, বাণিজ্যিকে দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা, শিল্পে ১০ কোটি টাকা ও ফ্যাক্টরিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী জেনারেটর (ক্যাপটিভ) বাবদ ১৮ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে।
অবৈধ সংযোগের বিষয়টি স্বীকার করে ওই কর্মকর্তা বলেন, ইতোমধ্যে অবৈধ সংযোগ প্রদানকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হচ্ছে। তা ছাড়া অবৈধ সংযোগগুলো পর্যায়ক্রমে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে।
ভালুকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের ছড়াছড়ি : বকেয়া ৩৬ কোটি টাকা
ময়মনসিহের ভালুকা পৌর এলাকা ও উপজেলার শিল্পাঞ্চল হবিরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে এখন তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের ছড়াছড়ি। এসব অবৈধ কাজের সাথে তিতাস গ্যাসের কিছু অসাধু ব্যক্তি...



