বরগুনার বেতাগীতে রায়হান হোসেন (১৪) নামে এক রোগীর শরীরে মেয়াদোত্তীর্ণ স্যালাইন পুশ করা হয়েছে। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পরে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।

রায়হান বরগুনার মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাঁকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

জানা গেছে, রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুরুষ ইউনিট বি-৭-এ জ্বর ও কাশির লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হন রায়হান। রোগীর স্বজনদের মতে, তার স্বাস্থ্যের কোনো উন্নতি হয়নি, বরং ধীরে ধীরে আরো অসুস্থ হয়ে পড়েন।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবিকাদের (নার্স) ওষুধ বহনের ট্রেতে মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক ‘সিপ্রোফ্লক্সাসিন’ ছিল। সেবিকা মানছুরা আক্তার চিকিৎসাধীন রায়হানকে যে ইনজেকশন পুশ করেন তাতে উৎপাদনের তারিখ মে ২০২০ এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এপ্রিল ২০২৩ লেখা রয়েছে।

রোগী রায়হান হোসেনের বাবা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, রোগীর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সন্দেহ সৃষ্টি হয়। এরপর দেখা যায় যে রোগীকে সাতটি মেয়াদোত্তীর্ণ ‘সিপ্রোফ্লক্সাসিন’ ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে।

সেবিকা মানছুরা আক্তার ভুল শিকার করে বলেন, ‘অসাবধানতার কারণে মেয়াদোত্তীর্ণ সিপ্রোফ্লক্সাসিন ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে। এর জন্য আমরা দুঃখিত।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফাহমিদা লস্কর বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সঠিক তদন্ত করে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।