চার সন্তানের জননী বিউটি বেগমকে (৩২) শারীরিক নির্যাতনে হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে রোববার দুপরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের বাবা জহির উদ্দিন ও তার সন্তানরা। এ সময় নিহতের স্বামী জান্নাতুল ইসলামের (৩৮) ফাঁসি দাবি করেন স্বজনরা। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, জান্নাতুল ইসলাম এক পাকা জুয়াড়ি। পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের আজিজপুর গ্রামে তার বাড়ি। জান্নাতুলের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। জুয়া খেলে সে চার লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়। ওই টাকার জন্য লোকজন প্রতিদিন বাড়িতে এসে চাপ সৃষ্টি করে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে বিউটিকে মারধর করে জান্নাতুল। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে বিউটির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে লালমনিরহাট মর্গে পাঠায়।
নিহত বিউটির বাবা জহির উদ্দিনের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন মা ছামিনা খাতুন, বোন খালেদা বেগম, ভাই ছামিউল, ভাগনি সালমা, বেগম বড় ছেলে গোলাম মোস্তফা ও বিউটির বোন জামাই শাহিনুর ইসলাম। এ ছাড়াও প্রায় শতাধিক গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহতের ননদ শ্যামলী আক্তার।
এদিকে জান্নাতুলের মা ও ভাবী মনোয়ারা বেগম বিউটিকে শারীরিক নির্যাতনে হত্যার কথা স্বীকার না করলেও জান্নাতুলের জুয়া খেলার কথা স্বীকার করেন।
পাটগ্রাম থানার ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, ওরা (নিহতের পরিবার) যে অভিযোগ করছে তা সত্য নয়। এব্যাপারে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে । লাশের ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।