ভারতের উজানে ভারী বৃষ্টিপাতে সিকিমে তিস্তা নদীর চুংথাং বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় পানি দ্রুত বেড়ে বিপৎসীমার ২৫ ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে রংপুরের পীরগাছার তিনটি ইউনিয়নের তিস্তা নদীর আশপাশের ১০টি গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন আশঙ্কায় উপজেলা প্রশাসন বন্যা মোকাবেলায় ব্যাপাক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

জানা গেছে, যেসব গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওই সব গ্রাম পরিদর্শন করেছেন। একইসাথে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন।

ছাওলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজির হোসেন বলেন, ‘আমি সকাল থেকে বিভিন্ন গ্রামে গিয়েছিলাম এবং সাধারন মানুষদের সাথে কথা বলেছি।’

তাম্বুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: বজরুল রশিদ মুকুল বলেন, ‘আমি বিভিন্ন গ্রাম পরিদর্শন করেছি এবং মানুষকে পরামর্শ দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হক সুমন নয়া দিগন্তকে বলেন, এ পর্যন্ত আমরা ৫০টি পরিবারকে সহযোগিতা করেছি। একইসাথে বন্যা মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।