রাজশাহীর পুঠিয়ার ধলাট গ্রামে বিয়ের দাবিতে দুই দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছে গোলাপী বেগম (৩০) নামের এক প্রেমিকা।

শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল ৩টা থেকে গোলাপী তার প্রেমিকা মেহেদীর বাড়িতে অবস্থান করছে।

গোলাপী রাজশাহী কোর্ট এলাকার আব্দুল জলিলের মেয়ে। সে রাজশাহীর একটি ক্লিনিকে সেবিকার কাজ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সে আসার পর থেকে মেহেদীর পরিবারের লোকজন পালিয়ে গেছে। প্রেমিকা গোলাপী একাই দুই দিন ধরে অবস্থান করছে তার প্রেমিকের বাড়িতে।

গোলাপি জানায়, ধলাট গ্রামের মোন্তাজ আলীর ছেলে মেহেদী হাসানের সাথে তিন বছর ধরে সম্পর্ক রয়েছে তার। এরমাঝে বিয়ের আশ্বাসে শারীরিক মেলামেশাও করেছে তারা। তিন বছর ধরে সম্পর্ক করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সহযোগিতা নিয়েছে মেহেদী। এখন সে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে চাকরি পাওয়ার পর বিভিন্নভাবে তালবাহানা করছে বিয়ে না করার জন্য। সে আমার সাথে সব যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। গত মাসেও আমি একবার এসেছিলাম তাদের বাড়িতে। তাদের পক্ষ থেকে বিয়ের আশ্বাস দিলে বাড়িতে ফিরে যাই। কিন্তু পরে তারা কোনো যোগাযোগ করেনি। তাই কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে আমাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

বানেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের শিবপুর হাট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি এবং তার বাসায় গিয়েছিলাম মেয়েটির সাথে কথা বলেছি। এর আগেও এসেছিল। তখন তাদের মধ্যে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। মেহেদীর পরিবার বাড়িতে নাই।

পুঠিয়া থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে ওই মেয়েটি কিছুই জানায়নি। কোনো জনপ্রতিনিধিও এ ব্যাপারে আমাকে কোনো তথ্য দেয়নি।