রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া নুরুল ইসলাম মন্ডল পাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চাচা ও ভাতিজার মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরের পর নুরুল ইসলাম চেয়ারম্যান পাড়ার এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন নুরুল ইসলাম চেয়ারম্যান পাড়ার মাসুম মোল্লার ছেলে নুরু মোল্লা (৭৫), দৌলতদিয়া বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী মো: আনোয়ার ডাক্তারের একমাত্র ছেলে শামীম (৩৫)।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিন ধরে বালির চাতালের ভেকুতে ভেজে কারেন্টের তার ছিড়ে পানিতে পরে থাকে। এমতাবস্থায় নুরু মোল্লা কাঠি নিয়ে পানির মধ্যে দিয়ে তার বাড়িতে যাবার সময়। বিদ্যুতের শক খেয়ে পানিতে লুটিয়ে পড়ে। এ সময় এলাকার লোকে চিৎকারে তার ভাতিজা এগিয়ে এলে দেখে তার চাচা পানির মধ্যে বিদ্যুতের তারের সাথে আছে। তখন শামীম এসে প্লাস দিয়ে তার টেনে সরাতে গেলে বিদ্যুতের তার হাতেও লেগে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন বাঁশ দিয়ে তার ছাড়িয়ে তাকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ হাসপাতাল নিলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
প্রতিবেশী রুবেল ও সাদ্দাম বলেন, আমরা বার বার মানা করেছি শামীমকে প্লাস দিয়ে বিদ্যুতের তার ধরো না। বড় একটি বাঁশ দিয়ে সরাও। কিন্তু সে আমাদের কোনো কথাই মানল না বিদ্যুতের তার হঠাৎ তার হাতের ওপরে এসে লেগে যায়। লাগার সাথে সাথে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তার শরীর মেসেজ করেও কোনো কাজ হয়নি। তখন আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। হাসপাতালের কর্মতর ডাক্তার তাকে দেখে মৃত ঘোষণা করেন।
পল্লী বিদ্যুতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইকরামুল হোসেন বলেন, পাঁচ-সাত দিন ধরে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে আছে। কোনো ব্যক্তি আমাকে ফোন দেয়নি। ঝড় বৃষ্টিতে ছিঁড়তে পারে আবার বালুর চতালের ভেকুতে লেগে ছিঁড়ে যেতে পারে।



