চিরিরবন্দরে প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্বামী পরিত্যক্তা আইরিন আকতার আলো নামে এক নারীকে হাত পা বেঁধে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার ঘটনার মূল আসামি শাহাজুল ইসলাম তারিফকে আটক করেছে চিরিরবন্দর থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার সন্ধায় তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটক সেনাসদস্য শাহাজুল ইসলাম তারিফ পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ঝলঝলি এলাকার আনারুল ইসলামের ছেলে আর হত্যার শিকার আইরিন আকতার আলো চিরিরবন্দর উপজেলার নদীরপাড় এলাকার আলম হোসেনের মেয়ে।
পুলিশ জানায়, হত্যার শিকার আলোর সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তারিফের। একপর্যায়ে তাদের সম্পর্ক অনৈতিক পর্যায়ে গড়ায়। ঘন ঘন বিয়ের চাপ দিতে থাকায় আলো ও শাহাজুলের পরিবারের মধ্যে কয়েক দফা সালিস বৈঠকও হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আলম হোসেন বাদি হয়ে চিরিরবন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে হত্যাকারীকে দ্রুত আটক করা হয়।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত সোমবার রাতে পার্শ¦বর্তী চাচার বাড়িতে পিকনিক খেতে গিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত বাড়িতে ফিরে না আসায় খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টায় রানীরবন্দর এলাকার ওয়েসিস স্কুলের পেছনের ড্রেনে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে চিরিরবন্দর থানার ওসি বজলুর রশিদ বলেন, এটি একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড ছিল। বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামিকে শনাক্তের পর আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাকে বুধবার সন্ধার আগেই আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
চিরিরবন্দরে নারীকে হাত পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা
চিরিরবন্দরে প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্বামী পরিত্যক্তা আইরিন আকতার আলো নামে এক নারীকে হাত পা বেঁধে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার ঘটনার মূল আসামি শাহাজুল ইসলাম তারিফকে...



