বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের জেলেদের নাম তালিকায় থাকা সত্ত্বেও প্রকৃত জেলেরা চাল না পাওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন করেছে প্রকৃত জেলেরা।

বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মেনিপাড়া এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জাটকা ইলিশ, মা-ইলিশ আহরণে বাংলাদেশ সরকারের নিষেধাজ্ঞায় রয়েছে। এ কারণে আমরা ইলিশ আহরণে বিরত থাকি। আমাদের মানবিক সহায়তা হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রতি জেলেকে ৬৫ দিন অবরোধে জন প্রতি প্রথম কিস্তিতে ৫৬ কেজি এবং দ্বিতীয় কিস্তিতে ৩০ কেজি ভিজিএফ চাল দেয়। মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা জেলেদেরকে ২৫ কেজি করে চাল দেয়। কিন্তু নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বাচ্চু ও ইউপি সদস্য জসিম হাওলাদারসহ ইউপি সদস্যরা বরাদ্দ করা চাল জেলেদের না দিয়ে নিজেদের ইচ্ছামতো তালিকা ও মাস্টাররোল তৈরি করে কিছু চাল বিতরণ করে, বাকি চাল নিজেরা আত্মসাৎ করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য জসিম হাওলাদার বলেন, এগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি কুচক্রীমহল পায়তারা চালাচ্ছে। দূর থেকে লোক ভাড়া করে এনে মানববন্ধন করেছে। আর প্রকৃত জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করছি।

নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বাচ্চু বলেন, সমুদ্রগামী প্রকৃত জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে। যারা চাল পাইনি দাবি করছে তারা অনেকে জেলে পেশায় নেই। কেউ মোটরসাইকেল চালায়, মুদি দোকান দেয়। আমি নির্বাচিত হওয়ার আগে উপজেলা প্রশাসন জেলে তালিকা হালনাগাদ করে। তখন অনেক নামধারী জেলে বাদ পড়ে যায়। এখন যারা জেলে পেশায় নেই তালিকায় নাম নেই তাদের তো আর চাল দেয়া যাবে না। এখন তারা যদি চাল চায় আমি কি বাড়ি থেকে এনে দেব? সরকারের নিয়ম নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকৃত জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।