সিরাজগঞ্জের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা ও নিমগাছির হাট। এ দু’টি হাটে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তায় ঝাঐল খালের উপর সেতুটির মাঝখানে ঢালাই ভেঙে সৃষ্টি হয়েছে গর্তের। বিকল্প কোনো পথ না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই সেতুর উপর দিয়ে চলাচল করছে হাজার হাজার মানুষ ও বিভিন্ন যানবাহন। যেকোনো সময় সেতুর একটি অংশ ধসে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার সলঙ্গা থেকে নিমগাছি হাটে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটির ধুবিল ইউনিয়নের ঝাঐল খালের উপর নির্মিত সেতুটির মাঝ বরাবর ভেঙে গোলাকার একটি বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সিমেন্টের ঢালাই খসে গিয়ে গর্তটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় ঝাঐল গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম ও আবুল হাসেম জানান, ঝাঐল গ্রামের খালের উপর সেতুটি ২৯ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছে। ছয় মাস আগে সেতুটির মাঝখানে অল্প একটু ভেঙে যায়। ভারী গাড়ি চলাচল করার কারণে এখন গর্ত বড় হয়ে আরো ঝুঁঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ভাঙা সেতুর উপর প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভাঙা জায়গায় একটা কাঠের মাচা বসিয়ে দিয়েছিলেন। সেই মাচা ভেঙে এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় আটোচালক শরিফুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে ভাঙা সেতুটির উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে আমাদেরকে। প্রতিদিন কোনো না কোনো দুর্ঘটনা ঘটছে। এ ছাড়া দুর্ঘটনা এড়াতে এখানে বিপজ্জনক কোনো চিহ্ন বা গতিরোধক ব্যবহার করা হচ্ছে না।
ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রাসেল তালুকদার জানান, ভাঙা সেতুটির বিষয়ে এলজিডির কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।
রায়গঞ্জ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী তামান্না রহমান বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে সেতুটি মেরামত করার জন্য প্রায় দুই লাখ টাকার বাজেট দিয়েছি উপজেলা পরিষদকে।
রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান তালুকদার ইমন বলেন, উপজেলা পরিষদ থেকে সেতুটির কাজ করার জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে।
রায়গঞ্জে ভাঙা সেতুতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
সিরাজগঞ্জের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা ও নিমগাছির হাট। এ দু’টি হাটে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তায় ঝাঐল খালের উপর সেতুটির মাঝখানে...



