কিশোরগঞ্জের ভৈরবে অবরোধের জেরে আওয়ামী লীগ-বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক আহমেদ সৌরভসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ভাঙচুর করা হয় বিএনপির অফিস। পুলিশ দু’পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে কয়েক রাউন্ড টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি অফিসের চেয়ার, টেবিল, সোফাসহ দরজা-জানালা ভেঙে চুরমার করা হয়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে।

তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাংগীর আলম সেন্টু বলেন, আমাদের কোনো নেতাকর্মী বিএনপি অফিস ভাঙচুর করেনি। বরং তারা নিজেরা চেয়ার টেবিল ভেঙে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর দোষ দিচ্ছে।

এদিকে গত তিন দিন যাবত পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২০ জনকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরণ অপরাধের মামলা দিয়ে কিশোরগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে। বিএনপির নেতাদের অভিযোগ, পুলিশ কয়েক দিন যাবত বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি অভিযান চালিয়েছে। পুলিশের ভয়ে বিএনপির শত শত কর্মী এখন পলাতক জীবনযাপন করছেন।

ভৈরব থানার ওসি মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম জানান, অবরোধের নামে জনগণকে দুর্ভোগে ফেলতে দেয়া হবে না। দু’পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। তবে বাড়ি বাড়ি অভিযানের কথা তিনি অস্বীকার করেন।