কক্সবাজারের পেকুয়ায় স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম করার একদিন পর শুক্রবার সকাল ৯টায় চমেক হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহতের স্ত্রী নাহারু বেগম জানান, গত বুধবার রাতে পেকুয়া বাজার থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন তার স্বামী জাকের হোসেন প্রকাশ মিয়া (৪০)। সদর ইউনিয়নের হরিণাফাঁড়ি (খাসপাড়া) এলাকায় পৌঁছলে হামলাকারীরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।
স্থানীয়রা জানান, এক মাস আগে চট্টগ্রামের পটিয়ায় নলকূপ স্থাপন কাজে যায় হরিণাফাঁড়ি এলাকার মনির উদ্দিনসহ পাঁচ ব্যক্তি। তারা সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা বাজারপাড়া এলাকার টিপু সুলতানের টিউবওয়েল স্থাপন কাজে শ্রমিকের কাজ করতেন। বকেয়া বেতনের টাকার লেনদেন নিয়ে তাদের সাথে টিপুর বাগি¦তণ্ডা হয়। এর জেরে টিউবওয়েল স্থাপনের কিছু যন্ত্রপাতি জব্দ করে রাখেন মনির, সরফরাজ, পুতু, তারেক, মানিক ও মিরাজ। জাকের টিপুর পক্ষ হয়ে মনির গংদের সাথে বিরোধে জড়ান। এর জেরে তাকে কুপিয়ে আহত করা হয়।
এ দিকে আওয়ামী লীগ নেতাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখমের ঘটনায় ১৪ জনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ মামলার প্রধান আসামি আবদুল জলিলকে বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতার করেছে। বুধবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে আহতের স্ত্রী নাহারু বেগম বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। আহত জাকের হোসেন ওরফে মিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের হরিণাফাঁড়ি এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে ও সদর ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। গ্রেফতারকৃত আবদুল জলিল একই এলাকার শকির আলমের ছেলে।
পেকুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ ওমর হায়দার বলেন, কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি মারা গেলে একই মামলা হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হবে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।



