ফুলাল হোসেনের এইচএসসি পাস করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার কথা ছিল। কিন্তু অভাব-অনটনের সংসারের হাল ধরতে গিয়ে ভাগ্যে জোটেনি উচ্চ শিক্ষা। সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের গুপিনাথপুর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে ফুলাল হোসেন। ঢাকা-বনপাড়া মহাসড়কের নাইমুড়ি এলাকায় চলতি বছরের ১৫ মে দুই ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষে ফুলালসহ দু’জন আহত হন। ওই ট্রাকের ডেইলি লেবারের কাজ করতেন ফুলাল। বনপাড়া থেকে উল্টো পথে আসা একটি ট্রাকের সাথে অপর একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ফুলাল ও আব্দুল আলীম কেবিনের ভেতরে আটকে যান। পরে তাদেরকে রেকার দিয়ে টেনে বের করে এনে নেয়া হয় হাসপাতালে। ফুলালের বাম পায়ের দুই জায়গায় ও বাম হাতের এক জায়গায় হাড় ভেঙে যায়। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে চিকিৎসা করাতে না পারায় পঙ্গু হয়ে বিছানায় শুয়ে দিন কাটছে তার।
ফুলালের চিকিৎসার জন্য প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছে তার অসহায় পরিবার। আহত ফুলাল হোসেনের মা-বাবা বলেন, আমি একজন দরিদ্র মানুষ। ছেলে সড়ক দুঘটনায় হাত-পা ভেঙে দীর্ঘ ছয় মাস ধরে বিছানায় পড়ে আছে। এখন পর্যন্ত এক লাখ টাকার বেশি খরচ করেছি। ছেলেকে অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারছি না। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করছি। যোগাযোগের মোবাইল নম্বর : ০১৭৯৯-১৪৬৮৬৫।
রায়গঞ্জে অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না ফুলালের
ফুলাল হোসেনের এইচএসসি পাস করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার কথা ছিল। কিন্তু অভাব-অনটনের সংসারের হাল ধরতে গিয়ে ভাগ্যে জোটেনি উচ্চ শিক্ষা। সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের...



