ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অবৈধ থ্রি হুইলারের দৌরাত্ম্য কিছুতেই থামছে না। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনা এড়াতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল বহন না করা, গাড়ি চালানোর সময়ে চালকের মোবাইল ফোনে কথা না বলা, চালকের পাশে লোক না বসানো, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি না চালানো এবং থ্রি হুইলার মহাসড়কে না চালানোর জন্য সরকার আইন করেছে। কিন্তু গোপালগঞ্জের মহাসড়কে থ্রি হুইলারের দৌরাত্ম্য কিছুতেই কমছে না।
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে গোপালগঞ্জ জেলার প্রায় ৬০ কিলোমিটার রাস্তার সর্বত্রই একই চিত্র। বিশেষ করে থ্রি হুইলার নছিমন, করিমন, অটোবাইক, ইজিবাইকের দৌরাত্ম্যে সড়ক দুর্ঘটনায় অকালে ঝরে যাচ্ছে মানুষের প্রাণ। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সামনে প্রকাশ্যে কিভাবে মহাসড়কে থ্রি হুইলার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে- সে প্রশ্ন এলাকাবাসীর।
এনার্জি পার্ক তেল পাম্পের মালিক মুন্সি ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, আমরা প্রাইভেট কারে যাতায়াতকারীরা থ্রি হুইলারের আতঙ্কে থাকি। থ্রি হুইলারগুলো নিজেরা আইন অমান্য করে মহাসড়কে চলাচল করে এবং বৈধ যানবাহনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়।
বাসচালক শওকত আলী জানান, থ্রি হুইলারগুলো খুব সমস্যা করে। তারা সুযোগ পেলেই রাস্তার মাঝ দিয়ে চলাচল করে। অন্য দিকে রয়েছে মহাসড়কে দূরপাল্লার বাসগুলোর বেপরোয়া গতি। এসব কারণেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনা।
এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জ জেলা সড়ক ও জনপথের (সওজ) সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিন) আবুল বশার বলেন, মহাসড়কে থি হুইলার চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এদের কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই। তার পরও কেন তারা কিভাবে মহাসড়কে চলাচল করে? পুলিশ তাদের কেন মহাসড়কে উঠতে এবং চলাচল করতে দেয় সেই প্রশ্ন আমাদের। থ্রি হুইলার গাড়ির কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই। এসব গাড়ি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এসব গাড়ি অনুমোদিত হলে আমরা ‘মহাসড়কে উঠতে পারবে না’- এ কথা কাগজপত্রে লিখে দিতাম।
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে থ্রি হুইলার : অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অবৈধ থ্রি হুইলারের দৌরাত্ম্য কিছুতেই থামছে না। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনা এড়াতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল বহন না করা, গাড়ি...



