সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এ কে টুটুল এবং আব্দুল মতিনের ছোট ভাই তুরণ মিয়াকে একটি হত্যা মামলার হাজিরা দিতে গেলে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির হয়ে তারা জামিন চাইলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ৩০ জুলাই বালাগঞ্জ বাজারে চানপুর গ্রামের জবান উল্যার ছেলে কাঠমিস্ত্রি সুহেল মিয়ার ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে অতর্কিত হামলা করে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এ কে টুটুল এবং আব্দুল মতিনের ছোটভাই তুরণ মিয়ার নেতৃত্বে একটি সঙ্ঘবদ্ধ গ্রুপ। সুহেলের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে সুহেলকে রক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু ততক্ষণে আঘাতে জর্জরিত সুহেলের অবস্থা গুরুতর হয়ে যায়। এসময় উপস্থিত লোকজন আহত সুহেলকে চিকিৎসা দিতে বালাগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেয়ার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা বাধা দিয়ে উল্টো হামলাকারীরা আহত সুহেলকে টেনেহিঁচড়ে বালাগঞ্জ থানা পুলিশে নিয়ে সোপর্দ করে। খবর পেয়ে সুহেলের ভাই থানায় গিয়ে সুহেলকে থানা থেকে এনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এরপর আহত সুহেলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৯ আগস্ট রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।



