ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়ন আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি শাকিল আহাম্মেদ খুনের ঘটনার দীর্ঘদিন পর একই পরিবারের সংঘর্ষে পাঁচজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
শনিবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৫টার দিকে তাদের বাড়িতে উভয়ের মাঝে কথা কাটাকাটির বাক-বিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
আহতরা হলেন নিহত শাকিলের স্ত্রী কাকলী আক্তার (২৮), তার দেবর সাগর আহাম্মদের স্ত্রী মুন্নি আক্তার (২৬) অপর পক্ষের হত্যা মামলার বাদি সাহিদ আলমের স্ত্রী লাকী আক্তার (৩০), তার মা সাহিনুর বেগম (৫০) ও তার বড় বোন শামিমা আক্তার (৩৮) আহত হন। পরে এলাকাবাসীদের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, এলাকার দুর্বৃত্তরা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার ভানোর ইউনিয়ের হলদিবাড়ী গ্রামের বাসিন্ধা ও ইউনিয়ন আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি শাকিল আহাম্মেদ গত ৪ সেপ্টেম্বর খুন হন। এ ঘটনায় নিহত শাকিল আহাম্মেদের বড় ভাই সাহিদ আলম স্থানীয় থানায় ২০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর থেকে নিহত শাকিল আহাম্মেদের স্ত্রী কাকলী আক্তার ও মামলার বাদি সাহিদ আলমের স্ত্রীসহ তার পরিবারের মাঝে অভ্যন্তরিন কোন্দোলের সৃষ্টির একপযার্য়ের
এলাকাবাসী আরো জানায়, ভানোর ইউনিয়ের হলদিবাড়ী গ্রামের বাসিন্ধা ও ইউনিয়ন আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি শাকিল আহাম্মেদ খুনের ঘটনার পর থেকে তাদের পরিবারের মাঝে প্রায়সময় কথা কাটাকাটির বাক বিতণ্ডা হয়ে আসছে। এরই মাঝে আজ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে একই পরিবারের পাঁচজন আহত হয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খায়রুল আনাম বলেন, ৯৯৯ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থে পুলিশ পাঠানো হয়। এখনো কোনো পক্ষের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



