সিলেটের ওসমানীনগরের বড় হাজিপুর গ্রামে বসতবাড়ির জমিতে দেয়াল নির্মাণ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ঘটনার পর একটি পক্ষ আদালতে আবেদন করলে আদালত বিরোধপূর্ণ ভূমিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন।
জানা যায়, গত ৮ ডিসেম্বর সোমবার সকালে উপজেলার পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের বড় হাজিপুর গ্রামে মৃত তাহিদ উল্লাহর ছেলে আবদুল হামিদ গং ও মৃত আয়ুব আলীর ছেলে আনর আলীর (৪৫) মধ্যকার বিরোধপূর্ণ জমিতে আবদুল হামিদ গং সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজ শুরু করেন। এরপর আনর আলী বিরোধপূর্ণ জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বাঁধা দিলে উভয়পক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ৬ ডিসেম্বর আনর আলী সিলেট কোর্টে একটি মামলা দায়ের করলে আদালত বিবাদমান জমিতে ১৪৪ দারা জারি করেন। ৭ ডিসেম্বর দুপুরে ওসমানীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত থাকতে এবং সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে আদালতের নোটিশ প্রদান করে নির্দেশনা দিয়ে আসেন।
মামলার বাদি আনর আলী বলেন, আমার মা ১৮ বছর আগে আবদুল হামিদের কাছে এক শতক জমি বিক্রি করেন। আমার মা লেখাপড়া জানে না। এ সুযোগে তিনি দলিলে ৩ শতাংশ লিখে নেন। পরবর্তিতে আমরা বিষয়টি বুঝতে পারলে গ্রাম্য সালিসের আয়োজন করি। ছয়বার গ্রাম্য সালিস হওয়ার পর সালিসে রায় হয় ২ শতাংশ ভূমি রেজিস্ট্রি করে ফিরিয়ে দিতে, কিন্তু তিনি তা ফেরত দেননি। ইদানীং আবদুল হামিদ থানায় আমার উপর মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে আমার বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে ভয় ভীতি দেখিয়ে বিবদমান ভূমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজ করছেন। আমি আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত ভূমিতে ১৪৪ ধারা জারি করেছেন।