রাজধানীর ডেমরায় মো: রাসেল মিয়া ওরফে সাগর (২৫) নামে এক যুবককে বেঁধে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাগরের বাড়িওয়ালাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে ওইদিন বিকেলে এ বিষয়ে ডেমরা থানায় অভিযুক্ত বাড়িওয়ালা মো: জাহাঙ্গীর আলম (৬০), স্ত্রী বিউটি (৫৫) ও অন্য ভাড়াটিয়া মো: শাকিলসহ (২৫) অজ্ঞাত ১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা মো: সাইফুল ইসলাম (৪৬)।
মামলার ঘণ্টা দু’একের ভেতরে তাকে (জাহাঙ্গীর আলম) গ্রেফতার করা হয়।
ডেমরা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সুব্রত কুমার পোদ্দার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলম ডেমরার মাতুয়াইল মোঘলনগর এলাকার মরহুম বোরহান উদ্দিনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এ সময় তাকে (সাগর) রশি দিয়ে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হয়।
জানা গেছে, গত এক মাসের বকেয়া ভাড়া (৩৩০০ টাকা) পরিশোধ না করে অন্যত্র ঘর ভাড়া নেয়ায় মাতুয়াইল মোঘলনগরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সাগরের চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বাড়িওয়ালাকে গ্রেফতার করে এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাসেলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেকে) চিকিৎসার জন্য পাঠায়।
এদিকে, তার বাবা জানান, ঢামেকে চিকিৎসাধীন রাসেল আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন বলে ।
ভুক্তভোগীর বাবা জানায়, ‘জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে আমার ছেলে ও তার স্ত্রী ৩৩০০ টাকা মাসিক হিসেবে ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিল। এদিকে, কাজ না থাকায় বেকার হয়ে পড়া রাসেল নভেম্বর মাসের বাড়ি ভাড়া পরিশোধ করতে পারেনি। ওই ভাড়া দ্রুত পরিশোধ করতে জাহাঙ্গীর অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে চাপ দেন রাসেলকে। পরে রাসেল অন্যত্র বাড়ি ভাড়া ঠিক করে। ঘরের মালামালসহ খাটিয়া খুলতে গেলে জাহাঙ্গীর ও তার স্ত্রীসহ আরো দু’জন লোহার পাইপ দিয়ে তাকে (রাসেল) পিটিয়ে মাথাসহ সারা শরীরে রক্তাক্ত জখম করেন।’



