শাহাদাত হোসেন রাব্বি (২২)। ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। চলতি বছর খুররম খান চৌধুরী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। তার বাবা মজিবুর রহমান পেশায় রিকশাচালক। অনেক দিন থেকে পরিবারের সাথে সম্পর্ক নেই তার। মা আনোয়ারা বেগম স্থানীয় বাজারে পিঠা বিক্রি করে রাব্বির পাঁচ সদস্যর সংসার চলাতেন।

কয়েক বছর আগে তার মা আনোয়ারা মারা যান। সংসারের হাল ধরতে রাব্বি (২২)। পড়ালেখার পাশাপাশি রাজমিস্ত্রীর কাজে নেমে পড়েন। কাজ করে রান্নার দায়িত্বও তিনিই পালন করতেন। সব মিলিয়ে ভালোই চলছিল তার শারিরীক প্রতিবন্ধী বোনসহ চার সদস্যর সংসার। কিন্তু গত ৭ ডিসেম্বর নান্দাইল উপজেলা বিএনপি ও পুলিশের সংঘর্ষ হলে পুলিশ বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা রুজু করে। ওই মামলার ১০৭ নম্বর আসামি হন ও ১৫ নভেম্বর তাকে একটি মামলায় আসামি করা হয়।

গ্রেফতার এড়াতে ফেরারি থাকায় দীর্ঘ দিন বাড়িতে আসা হয় না রাব্বির। ফলে তার প্রতিবন্ধী বোন মণি আক্তার (১৫) সহ ছোট তিন বোনের জীবনে নেমে এসে কালো আঁধার। না খেয়ে না পড়ে দিন কাটাচ্ছিল তারা। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার খবর প্রকাশের পর পাশে দাঁড়িয়েছে জাতীয়তাবাদী হেল্প সেল।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ১৫ ডিসেম্বর উপহারসামগ্রী পাঠানো হয়। রাব্বির পরিবারের কাছে জাতীয়তাবাদী হেল্পসেলের উদ্যোগে, নগদ অর্থ উপহার, ভাল মানের কম্বল, চাল, ডাল, পেয়াজ, চিনি, আলু ডিম পৌঁছে দিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদল নেতা ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিদ আকন্দর মাধ্যমে।

জাতীয়তাবাদী হেল্প সেল নামক সংগঠনটি রাব্বির পরিবারের পাশে সব সময় থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।

উল্লেখ্য, সারাদেশে গুম, খুন নির্যাতিত নিপিড়ীত জাতীয়তাবাদী সকল সদস্যর পরিবারকে ২০১৩ সাল থেকে সহোযোগিতা করে আসছেন।