দক্ষিণাঞ্চলে পুরাতন ও ঐতিহ্যবাহী কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পিরোজপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে চরম শিক্ষক সঙ্কট বিরাজ করছে। শিক্ষক না থাকায় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের অলস সময় কাটাতে হচ্ছে। এক হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে যেখানে শিক্ষক থাকার কথা ৪৮ জন, সেখানে রয়েছেন মাত্র ৯ জন। ২৫ জন কর্মচারীর বিপরীতে আছেন মাত্র সাতজন। ফলে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম।
জানা গেছে, পিরোজপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের জেনারেল ইলেকট্রনিক্স বিভাগে দুই শিফটে আটজনের বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র একজন। আর ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের চিত্রও একই। মাত্র একজন শিক্ষক এ ট্রেডে থাকলেও তিনি আবার সংযুক্তিতে রয়েছেন অন্য কলেজে।
১৯৬৯ সালে স্কুল হিসেবে এ প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু। ২০০৩ সালে এটি কলেজে উন্নীত হয়। সেই থেকে শিক্ষক সঙ্কট চলছে। এ প্রতিষ্ঠানের তিনটি কারিকুলামের ১২টি ট্রেডের ৪৮ জন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও আছেন মাত্র ৯ জন। ক্লাসে শিক্ষার্থী থাকলেও শিক্ষক পান না তারা। ফলে অ্িযধকাংশ তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক ক্লাসগুলো প্রায়ই হচ্ছে না। অন্য দিকে বিভিন্ন পর্যায়ের ২৫ জন স্টাফ থাকার কথা থাকলেও আছেন মাত্র সাতজন।
কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী পূজা মিস্ত্রি বলেন, আমরা নিয়মিত কলেজে আসি। কিন্তু অধিকাংশ সময় ক্লাস না হওয়ায় বাড়ি ফিরে যাই। বিশেষ করে আমাদের প্রাকট্রিক্যাল ক্লাস হয় না বললেই চলে।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ফেরদৌস আরেফীন বলেন, এমনিতেই শিক্ষক সঙ্কট, তার ওপর কর্মচারী স্বল্পতা। দুইয়ে মিলে পিরোজপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজটি যেন সমস্যার আখড়ায় পরিণত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের ২৫ জন স্টাফের বিপরীতে রয়েছে মাত্র সাতজন স্টাফ। ফলে এক দিকে স্বল্প জনবল, অন্য দিকে শিক্ষক সঙ্কট-সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করেও আশ্বাসের বাণী ছাড়া কোনো সমাধান পাইনি।
শিক্ষক সঙ্কটে বন্ধের পথে পিরোজপুর টেকনিক্যাল কলেজ
দক্ষিণাঞ্চলে পুরাতন ও ঐতিহ্যবাহী কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পিরোজপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে চরম শিক্ষক সঙ্কট বিরাজ করছে। শিক্ষক না থাকায় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের অলস সময় কাটাতে...



