মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার পদে (আরএমও) ডা: হাফিজুল ইসলাম কর্মরত আছেন। এ হাসপাতালে যোগদানের পর থেকেই তিনি বেশির ভাগ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। ফলে বিঘিœত হচ্ছে ভর্তি থাকা রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম।
জানা গেছে, ডা: হাফিজুল ইসলাম চলতি বছরের ২১ মে আরএমও হিসেবে সিঙ্গাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন। তারপর থেকেই তিনি হাসপাতালে অবস্থান না করে থাকেন জেলা সদরে। কর্মদিবসগুলোতে সপ্তাহে দু-তিন দিন অনুপস্থিত থাকেন। অন্য দিনগুলো তিনি হাপাতালে ১১টার দিকে পৌঁছলেও অফিসে বসেই ফি নিয়ে রোগী দেখেন এবং ৩টার পরেই হাসপাতাল ত্যাগ করেন। একজন আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে তার হাসপাতালে অবস্থান করে ভর্তি রোগীদের দিনে কমপক্ষে দু’বার ওয়ার্ড ভিজিট করার কথা থাকলেও তিনি তা করেন না। ওয়ার্ডসংলগ্ন নির্ধারিত কক্ষে তার বসার কথা থাকলেও তিনি বসেন প্রশাসনিক ফ্লোরে। আরএমও’র এমন খামখেয়ালিপনায় স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ওঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক ও স্টাফ জানান, আরএমও সাহেব কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছেন না। ফলে হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা কাক্সিক্ষত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। গেল তিন মাস অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আরএমও অক্টোবরে অফিস করেছেন ১৮ দিন, নভেম্বরে ১৪ দিন, চলতি মাসের ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮ দিন অনুপস্থিত ছিলেন।
আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা: হাফিজুল ইসলাম বলেন, বৈকালিক চেম্বারে যেকোনো ডাক্তার ফি নিয়ে রোগী দেখতে পারেন। রোগী দেখা, ওয়ার্ডে রাউন্ড দেয়া ও রোগীদের নিয়মিত খাবার-দাবার নিশ্চিত করা ছাড়া আমার আর কোনো কাজ নেই। হাসপাতাল কোয়ার্টারে থাকেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, অফিসে আসেন সাক্ষাতে কথা বলব।
এ ব্যাপারে সিঙ্গাইর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: সৈয়দা তাসনুভা মারিয়া আরএমওর দেরিতে অফিসে আসার কথা স্বীকার করে বলেন, তাকে হাসপাতাল কোয়ার্টারে থাকার কথা বলা হয়েছে। অন্য অভিযোগগুলো দেখবেন বলেও জানান তিনি।
সিঙ্গাইরে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার থাকেন না কর্মস্থলে
মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার পদে (আরএমও) ডা: হাফিজুল ইসলাম কর্মরত আছেন। এ হাসপাতালে যোগদানের পর থেকেই তিনি বেশির ভাগ...



