দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৭ চান্দিনা আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৭ জানুয়ারি ভোট গ্রহণের পর সাত প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

জামানত বাজেয়াপ্ত ছয় প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন প্রার্থী পাঁচটি রাজনৈতিক দলের এবং একজন স্বতন্ত্র।

কুমিল্লা-৭ চান্দিনা আসনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী প্রার্থী অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত ব্যতিত অন্য ছয় প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সহকারি রিটার্নিং অফিসার ও চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাবের মো: সোয়াইব বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ওই আসনে মোট ভোটার তিন লাখ তিন হাজার ২৮৭ জন। ৭ জানুয়ারি ভোট গ্রহণ শেষে ৬৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ হারে এক লাখ ৯৩ হাজার ৭৪৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এরমধ্যে দুই হাজার ২৭৩টি ভোট বাতিল করায় মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় এক লাখ ৯১ হাজার ৪৭৬ জন। আর ওই প্রাপ্ত ভোটের মধ্যে নৌকা প্রতীক প্রার্থী অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত ৯০ দশমকি ৭৪ শতাংশ ভোট পান। যেকারণে অন্য ছয় প্রার্থীর কেউ ১২ দশমকি ৫ শতাংশ ভোট পাননি।

ওই ছয় প্রার্থী হলেন ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুনতাকিম আশরাফ টিটু। তিনি ঈগল প্রতীকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬ দশমিক ০২ শতাংশ হারে ভোট পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৬৮টি। জাতীয় পার্টি প্রার্থী লুৎফুর রেজা খোকন লাঙ্গল প্রতীকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১ দশশকি ১২ শতাংশ হারে ভোট পেয়েছে দুই হাজার ১৭৮টি। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ প্রার্থী ডা. তোফায়েল হোসাইন গামছা প্রতীকে ০ দশমুক ৭৪ শতাংশ হারে ভোট পেয়েছেন এক হাজার ৪৩৪টি, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি প্রার্থী মো: সহিদুল্লাহ্ একতারা প্রতীকে ০ দশমকি ৬১ শতাংশ হারে ভোট পেয়েছেন এক হাজার ১৯৮টি, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টি প্রার্থী মো: সালাম মিয়া ডাব প্রতীকে ০ দশমকি ৩৮ শতাংশ হারে ভোট পেয়েছেন ৭৫২টি, গণফ্রন্ট প্রার্থী মো: এমদাদুল হক মাছ প্রতীকে ০ দশমিক ২৯ শতাংশ হারে ভোট পেয়েছেন ৫৭০টি।

উল্লেখ্য, ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত চান্দিনা উপজেলার পূর্ণ এলাকা কুমিল্লা-৭ আসন। ওই আসনের তিন লাখ তিন হাজার ২৮৭ ভোটারের জন্য ৮৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।