বরগুনার বেতাগীতে একটি ভোট কেন্দ্রে ভোট চলাকালীন শেষ সময়ের দিকে রুবেল সিকদার নামক এক যুবলীগ নেতা সাংবাদিকদের মারধরের হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভোট কক্ষে জাল ভোট দিতে থাকা অবস্থায় সাংবাদিকদের দৃষ্টিতে এলে ছবি তুলতে গেলে তিনি একাধিক গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীদের মারধরের জন্য তেড়ে আসেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। ঘটনাটি দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসারকে জানালে তৎক্ষণাৎ ব্যালট বাক্স জিম্মায় নেন দায়িত্বরত কর্মকর্তা দোলা মল্লিক।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, এরপরই যুবলীগ নেতা রুবেল সিকদার অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যেতে বলেন সাংবাদিকদের। ওই যুবলীগ নেতা রুবেল সিকদার বেতাগী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

জানা গেছে, রোববার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয় চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণের শেষ সময়ে বেতাগী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ২ নম্বর পুরুষ কক্ষে জাল ভোট দেয়া শুরু করেন নৌকার এজেন্টে দায়িত্বে থাকা ওই যুবলীগ নেতা রুবেল সিকদার। পরে সংবাদকর্মীরা জাল ভোটের ছবি তুলতে গেলে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। ওই দুই সংবাদকর্মী জাতীয় পত্রিকা মানবজমিনের বেতাগী উপজেলা প্রতিনিধি হোসেন আলী সিপাহী ও আমাদের সময়ের বেতাগী উপজেলা প্রতিনিধি সজল মাহমুদ। এ ব্যাপারে যুবলীগ নেতা রুবেল সিকদার বলেন,‘এ বিষয়ে ফোনে কিছু বলব না স্বাক্ষাতে বলব। পরে ফোনটি কেটে দেন।

অনুষ্ঠিত নিবার্চনে বরগুনা-২ আসনের বেতাগী উপজেলায় কোনো ধরণের সহিংসতা ছাড়াই শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে মোট তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড করা হয়।