কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে গত কয়েক দিন ধরে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। শৈত্যপ্রবাহের সাথে ঘন কুয়াশার কারণে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্তও সূর্যের দেখা মেলেনি। ফলে সকাল-দুপুরের পার্থক্য বোঝাই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। রাতেও অনেকটা বৃষ্টির মতোই কুয়াশা ঝড়েছে। তাই এমন পরিস্থিতিতে মানুষের পাশাপাশি গবাদিপশুর অবস্থাও যেন জবুথবু ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ভারতের দার্জিলিং ও সিকিমে তুষারপাত এবং জলপাইগুড়ি-ডুর্য়াস-নাগরকাটাসহ বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টির প্রভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি হোসেনপুর উপজেলার সর্বত্রই কনকনে ও হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। যা মানুষ ও গবাদিপশুর একরকম সহ্যের বাইরে চলে গেছে। সরেজমিন তথ্য সংগ্রহকালে উপজেলার ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চল ও আশপাশের কয়েকজন ভুক্তভোগী লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শীতের তীব্রতা এবার অনেক বেশি। ফলে শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের মানুষ বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে গ্রামের অনেক খেটে খাওয়া মানুষ। ফলে তাদের জীবন-জীবিকাও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষেরা পরিবার-পরিজন নিয়ে পড়েছে মহাবিপাকে। এ ছাড়াও শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চরম বিপাকে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। এতে সর্দি, কাশি ও হাঁপানিজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব গ্রামাঞ্চলে বেড়ে গেছে। চলমান এই হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডার কারণে সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বের হওয়ার সাহস পাচ্ছে না। ফলে স্থানীয়ভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যেও মন্দাভাব দেখা দিয়েছে। এক কথায় তীব্র শীতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
এবারের কনকনে শীত মানুষের পাশাপাশি কাবু হয়ে পড়েছে গবাদিপশু ও হাঁস মুরগি। তীব্র শীতের কারণে পাটের ছেঁড়া ব্যাগ গবাদিপশুর শরীরে দিয়েও সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই প্রান্তিক কৃষক ও খামারিরা শীত নিবারণে এবার গবাদিপশু নিয়েও চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।
হোসেনপুরে শীতে জবুথবু জনজীবন
নানা রোগে বিপাকে শিশু ও বৃদ্ধরা
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে গত কয়েক দিন ধরে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। শৈত্যপ্রবাহের সাথে ঘন কুয়াশার কারণে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্তও সূর্যের দেখা মেলেনি। ফলে সকাল-দুপুরের পার্থক্য বোঝাই এখন কঠিন...



