মানিকগঞ্জ-২ আসনে (সিংগাইর-হরিরামপুর ও সদরের একাংশ) নির্বাচন পরবর্তী মমতাজ বেগমের কর্মীদের ওপর হামলার সাথে জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের আলটিমেটাম দিয়েছেন নৌকার পরাজিত প্রার্থী কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। অন্যাথায় নিজেরাই এর মোকাবেলা করার ঘোষণা দেন তিনি।
গত শুক্রবার মমতাজ বেগম দিনভর সিংগাইর ও হরিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে নির্বাচন পরবর্তী হামলায় আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেন তিনি।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, ভোটে জয়ী হওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহিদ আহমেদ টুলুর সমর্থকরা তার কর্মী সমর্থকদের মারধর এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা করছে। এতে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় একাধিক মামলা হলেও প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেন।
মমতাজ বেগম আরো বলেন, ধৈর্যের একটা সীমা আছে। আমাদের ভোট আছে, লোক আছে, জনগণ আছে, এমনকি দল ক্ষমতায়। তারপরও যদি নির্যাতিত হই, তাহলে আমরা কি করব? আমরা কোনো আইন হাতে তুলে নিতে চাই না। এ সময় তিনি হরিরামপুর উপজেলার কয়েকজন হামলাকারীর নাম উল্লেখ করে প্রশাসনকে গ্রেফতার করতে অনুরোধও করেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তাই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। এদের গ্রেফতার না করলে এলাকায় শান্তি ফিরে আসবে না। জনগণ রাস্তায় বের হয়ে এলে তাদের আটকে রাখা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন সাবেক এমপি মমতাজ বেগম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ, সিংগাইর পৌরসভার মেয়র আবু নাঈম মো: বাশার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ কহিনুর ইসলাম সানিসহ জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এ ব্যাপারে সিংগাইর থানার ওসি মো: জিযারুল ইসলাম বলেন, হামলার ঘটনায় আমাদের থানায় একটি তিনটি মামলা হয়েছে। আসামিরা সবাই জামিনে আছেন। যে কেউ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
হরিরামপুর থানার ওসি শাহ নুরে আলম জানান, হামলার ঘটনায় দু’টি মামলা হয়েছে। তবে আসামিরা সবাই আদালতের আদেশে জামিনে আছেন। আসামি গ্রেফতারে পুলিশের কোনো গাফিলতি নেই বলেও জানান তিনি।



