শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ওয়াকফকৃত কওমি মাদরাসার জমি লিজ নেয়ার দ্বন্দ্বে উভয় পক্ষের ৩৩ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত ১০ জনকে শেরপুর জেলা হাসপাতাল ও ময়মনসিং মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি
করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কলসপার ইউনিয়নের গোল্লারপার মদিনাতুল উলুম কওমি মাদরাসা ও এতিমখানার নামে কিছু আবাদি জমি রয়েছে। প্রতি বছর প্রকাশ্য নিলাম ডাকে এক বছরের জন্য এই জমি লিজ দেয়া হয়। এবারো সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে ২৫ শতাংশ জমি লিজ নেন জাহের আলি। সে অনুযায়ী জাহের আলি চাষাবাদ করে জমি ফসল রোপণের জন্য প্রস্তুত করেন। মাদরাসার সাধারণ সম্পাদক হাবেজ আলী ও রেজাউল লিজ দেয়া জমিতে শুক্রবার ফসল রোপণ করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য শনিবার গোল্লারপার পাকা সড়কে উভয় পক্ষ আলোচনার জন্য বসেন। আলোচনার একপর্যায়ে কথাকাটাকাটিতে মাদরাসার সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ওসমান আলী ও সাধারণ সম্পাদক হাবেজ আলীর মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারামারি শুরু করে ও দোকানপাট, বাড়িঘড় ও অটোরিকশা ভাঙচুর করে। এতে উভয় পক্ষের ৩৩ জন আহত হয়। পরে পুলিশ এসে উভয় পক্ষকে শান্ত করে। পুলিশ উভয় পক্ষের আটজনকে
আটক করে।
নালিতাবাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দিদারুল ইসলাম বলেন, মদরাসার জমির ধান রোপণ নিয়ে দ্বন্দ্বে ৩৩ জন আহত হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।