ফেরি ডুবি ঘটনার সাত দিন পর রজনীগন্ধা ফেরির সহকারী মাস্টার হুমায়ুন কবিরের লাশের সন্ধান মিললেও ডুবে যাওয়া ফেরিটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

সোমবার (২২ জনুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে ওই ফেরির দ্বিতীয় ইঞ্জিন মাস্টার হুমায়ূন কবিরের লাশ পদ্মার নদী থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করে। এর সাত দিন আগে রাজবাড়ী ও মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতদিয়া-নৌরুটে পাটুরিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাটে (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় রজনীগন্ধা ফেরিডুবি ঘটনায় নিখোঁজ হয়।

তবে ডুবন্ত ফেরিটি উদ্ধার কাজে নিযুক্ত জাহাজ হামজা, রুস্তম, প্রত্যয়, ডুবুরি দল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা কর্মচারীরা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফেরিটি উদ্ধার প্রচেষ্টা অব্যহত আছে।

এ বিষয়ে ফেরি রজনীগন্ধার স্টাফদের বরাত দিয়ে বিআইডব্লিউটিসির পাটুরিয়া ঘাট কার্যালয়ের এ জি এম আহাম্মদ আলি জানান, ফেরি ডুবির ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ থাকা সহকারী ইঞ্জিন মাস্টার হুমায়ুন কবির নিখোঁজ ছিলেন। অবশেষে তার লাশ বিকালে পদ্মা নদীর পাটুরিয়া ঘাটের ভাটিতে মানিকগঞ্জ জেলার বাহাদুরপুর এলাকা থেকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধার করেছে। তবে দুর্ঘটনা কবলিত ফেরিটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধার কাজ অব্যহত আছে।

নিখোঁজ হুমায়ুন কবিরের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে। বাড়িতে তার সহধর্মিণী দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। তিনি বিআইডাব্লিউটিসিতে ২০১১ সালে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন।