বরিশালের উজিরপুরে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দুস্থ ও হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিডি কার্ডের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাখাওয়াত হোসেন বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে এবং মূল কার্ডধারীকে তার প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে দেয়া হবে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাচ্চু সরদারের কাছে পূর্ব জয়শ্রী গ্রামের উম্মে কুলসুম পপি সংসারে অভাব অনটনের কারণে একটি ভিজিডি কার্ড দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। ইউপি সদস্য বাচ্চু এক বছর আগে তার কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবিসহ যাবতীয় কাগজপত্র নেন। কিছুদিন পর পপি ভিজিডি কার্ড হয়েছে কি না জানতে চাইলে ইউপি সদস্য জানান এখনো হয়নি। এরপরে ভিজিডি কার্ডের বিষয়ে আর কোনো খোঁজ খবর নেননি উম্মে কুলসুম পপি। দুই মাস আগে ওই ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য নূপুর আক্তারের স্বামী সোহাগ হাওলাদারের মারফত তিনি জানতে পারে যে তার নামে (উম্মে কুলসুম পপি) ভিজিডি কার্ডের তালিকায় তার নাম রয়েছে। এক বছর ধরে ওই কার্ডের সরকারি চাল ইউপি সদস্য বাচ্চু উঠিয়ে নিচ্ছেন। তখন পপি ইউপি সদস্য বাচ্চুর কাছে গিয়ে কার্ড ফেরত চাইলে তিনি কার্ড ফেরত না দিয়ে উল্টা অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য বাচ্চু সরদার বলেন, আমি ঢাকায় আছি। আমি অভিযোগের বিষয়ে কিছুই জানি না।
শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল মাঝি বলেন, আমি বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ। অভিযোগের ব্যাপারে কিছুই জানি না।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাখাওয়াত হোসেন বলেন, যার নামে কার্ড বরাদ্দ হয়েছে, তিনিই চাল পাবেন। এক কার্ডের চাল অন্যজন নিতে পারবে না। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে এবং মূল কার্ডধারীকে তার প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে দেয়া হবে।
উজিরপুরে অসহায় নারীর ভিজিডির চাল আত্মসাৎ করলেন জনপ্রতিনিধি
বরিশালের উজিরপুরে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দুস্থ ও হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিডি কার্ডের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাখাওয়াত হোসেন বরাবর...



