ঘন কুয়াশার কারণে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর পর পর চারটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা যায়। গতকাল বুধবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার পর মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এলাকায় গাড়িগুলো ধীরগতিতে চলতে দেখা যায়। শীতের মধ্যে গাড়ির এমন ধীরগতির কারণে চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তি হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কুয়াশার কারণে বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর ঢাকা ও উত্তরবঙ্গগামী লেনে এ দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। এর ফলে সেতুতে টোল আদায় দুই দফায় বন্ধ রাখা হয়। পরে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত সেতু কর্তৃপক্ষের লোকজন তাদের নিজস্ব রেকার দিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলো অপসারণ করে।

এ দুর্ঘটনার ফলে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব এলেঙ্গা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করে। পরে সকাল ৯টার দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে। ধীরগতি নিরসনে পুলিশ ও সেতু কর্তৃপক্ষের লোকজন কাজ করে। বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার এসআই মো: লিটন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে ও বুধবার ভোরে সেতুর উপর পর পর চারটি দুর্ঘটনা ঘটে। সেগুলো দ্রুত সময়ে সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব রেকার দিয়ে সরানো হয়। ফলে টোল আদায়ে বিঘ্ণ ঘটে এবং মহাসড়কের সেতু পূর্বাংশে যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়।’ তিনি আরো বলেন, ‘যানবাহন ধীরগতি নিরসনে কাজ করে সেতু কর্তৃপক্ষ। বেলা বৃদ্ধির সাথে সাথে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে। তা ছাড়া ঘন কুয়াশায় মহাসড়কে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণরোধে টোলপ্লাজা এলাকায় গণসচেতনতায় সতর্কতামূলক লিফলেট বিতরণসহ সেতুর পূর্ব ও পশ্চিমে মাইকিং করা হচ্ছে।’