জামালপুরের মেলান্দহের ভাবকী-রায়গঞ্জ সড়কের ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের বাগবাড়ী খালের গুরুত্বপূর্ণ সেতুর মাঝখানে গর্তের সৃষ্টি হয়ে সেতুটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ও পথচারী। ১৯৯৬ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের অর্থায়নে ২০ ফুট দৈর্ঘের সেতুটি নির্মাণ করা হয়। প্রতিদিন সেতুতে ট্রাক, পিকআপ, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন প্রকার যানবাহন ও পথচারীরা চলাচল করে থাকে। ১০ বছর আগে সেতুটি একবার সংস্কার করা হলেও চার মাস আগে সেতুর মাঝখানে একটি বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।
সরেজমিন দেখা যায়, সেতুর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে মাটি, ইটবোঝাই ট্রাক্টর, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, ভটভটি, পিকআপ ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন এবং পথচারী চলাচল করছে। ওই সেতুর গর্তের ঝুঁকি এড়াতে যানবাহন ও পথচারীদের সর্তক করার জন্য বাঁশের লাঠি ব্যবহার করে সতর্কতামূলক সঙ্কেত দিয়েছেন স্থানীয়রা।
বাঘবাড়ির কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সেতুটি দীর্ঘদিন আগে নির্মাণ করা হয়। হঠাৎ সেতুর মাঝখানে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ভাবকি এলাকার আব্দুর রহিম বলেন, প্রায় চার মাস ধরে গর্তের একপাশ দিয়ে চরম ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। কিছুদিন থেকে মালবাহী বড় ট্রাক ও পিকআপ হাজরাবাড়ি হয়ে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা বেশি ঘুরে জামালপুর শহরে যাচ্ছে। এছাড়াও এ সড়কের আশপাশে কয়েকটি ইটের ভাটা রয়েছে। ওই সকল ভাটা থেকে ইট ও মাটিবোঝাই ট্রাক নিয়ে চালকদের ওই সেতুর ওপর দিয়ে যেতে হচ্ছে। এ ছাড়া মাটি ব্যবসায়ীরা ওই সেতুর ওপর দিয়েই প্রতিনিয়ত মাটিবোঝাই ট্রাক্টর নিয়ে চলাচল করে থাকে।
বাগবাড়ী এলাকার বাসিন্দা আব্দুল খালেক বলেন, অনেক দিন ধরে সেতুটির মধ্যে গর্ত হয়েছে। প্রথম দিকে ওই গর্তের মধ্যে দুর্ঘটনা ঘটত। পরে স্থানীয় লোকজন গর্তের মধ্যে একটি বাঁশের খুঁটি দিয়ে সতর্ক করেছে।
মেলান্দহে সেতুর মাঝখানে গর্ত ঝুঁকিতে যানবাহন চলাচল
জামালপুরের মেলান্দহের ভাবকী-রায়গঞ্জ সড়কের ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের বাগবাড়ী খালের গুরুত্বপূর্ণ সেতুর মাঝখানে গর্তের সৃষ্টি হয়ে সেতুটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে...



