বরগুনার তালতলীতে সুখী (২০) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চরপাড়া গ্রামের ওয়াপদা রাস্তার পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তার বাবার পরিবারের দাবি- শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে হত্যা করেছে। নিহত সুখী উপজেলার চরপাড়া এলাকার মো: হাসানের স্ত্রী।
জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যার পরে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার শ্বশুর বাড়িতে কাজ শেষে সুখী (২০) নিজ ঘরে চলে যান। এরপর তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সকালে আত্মীয়স্বজনদের কাছে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। দু’দিন পরে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে নিহতের শ্বশুরবাড়ির অদূরে ওয়াপদা রাস্তার পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দুপুর ১২টার দিকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহতের শরীরে আঘাতের বেশ কয়েকটি চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়েছে বলে জানান পুলিশ।
গৃহবধূর বাবা বাবুল ফকির বলেন, আমাদের সন্দেহ আমার মেয়েকে শ্বশুরবাড়ির লেকজন হত্যা করে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রেখেছে। আমি এই ঘটনার সঠিক বিচার চাই।
গৃহবধূর স্বামী হাসান বলেন, আমার স্ত্রীর লাশ দেখে স্থানীয়রা আমাদের খবর দেয়। আমাদের কোনো শত্রু নেই। তবে যারা আমার স্ত্রীকে হত্যা করেছে তাদের
বিচার চাই।
তালতলী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম খান বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লাশ যে স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সেখানে ঘটনা ঘটেনি বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুরো বিষয়টি রহস্যজনক। তবে তদন্ত করে সঠিক রহস্য বের করা হবে। তিনি আরো বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরে হত্যার সঠিক কারণ বলা যাবে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।



