রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া বিআইডব্লিউটিএ ট্রাক টার্মিনালের জায়গায় গড়ে ওঠা দুই শতাধিক দোকানসহ অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ভ্রম্যমান আদালত।
সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা নাগাদ এ অবৈধ স্থাপনার উচ্ছেদ অভিযান পরচালিত হয়।
অভিযানকালে ভ্রাম্যমান আদালত কতৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী ট্রাক টার্মিনালের পাশে ছোট-বড় ১৪০টি স্থাপনা জানালেও স্থানীয়দের দাবি উচ্ছেদকৃত স্থাপনার সংখ্যা দুই শতাধিক। আধাপাকা, টিন, কাঠ ও বাশের স্থাপনাগুলো ভেঁক্যু দিয়ে ভেঙে দেয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, বিআইডব্লিউটিএ টার্মিনালে জায়গা দখল করে প্রভাবশালী মহল বিআইডব্লিউটিএর কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের ম্যানেজ করে ওইসব অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে সেগুলো ভাড়া দিয়ে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া হতো। ওই প্রভাবশালীদের প্রতিহিংসা পরায়নে অন্য প্রভাবশালীদের ইন্দোনে আজ কয়েকশত নদীভাঙ্গা পরিবার বেকার হলো।
বিআইডব্লিউটিএ-এর কতৃপক্ষ জানায়, বার বার ওই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নোটিশ দিলেও তাতে তারা গুরুত্ব দেয়নি। নোটিশের তোয়াক্কা না করে একের পর এক অবৈধভাবে টার্মনালের জায়গায় স্থাপনা গড়ে উঠেছিল। টার্মিনালের জায়গা দখল করে এমতাবস্থায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযান চালানো হয়।
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক্সিউকেটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: হাসান মারুফ।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন আরিচা অঞ্চলের বিআইডব্লিউটিএ বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা এস এম সাজ্জাদুর রহমান, বিআইডব্লিউটিএর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: মকবুল হোসেন, গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মোস্তফা মুন্সী, গোয়ালন্দ পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম মণ্ডল, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, ভাইস চেয়ারম্যান মো: আসাদুজ্জামান চৌধুরী, গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ প্রানচন্দ্র বিশ্বাস, দৌলতদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান মণ্ডলসহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এবং সি বি এ বিআইডব্লিউএর কর্মচারী ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরিচা অঞ্চলের বিআইডব্লিউটিএ বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা এস এম সাজ্জাদুর রহমান বলেন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ছোট বড় ৫০টি দোকানঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযান সকাল থেকে প্রায় সন্ধ্যা পর্যন্ত চালানো হয়।



