‘দুমকিতে দুই পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই’ শিরোনামে গত রোববার নয়া দিগন্তে সংবাদ প্রকাশের পর পাকা বসতঘর পাচ্ছেন দুই প্রতিবন্ধী পরিবার। উপজেলার মাল্টা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাওসার আমিন হাওলাদার এমনই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
কাওসার আমিন হাওলাদার নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘রোববার সকালে সংবাদটি দেখে অনেক কষ্ট পেয়েছি। আমি সময় ক্ষেপণ না করে সাথে সাথে ওই প্রতিবন্ধী পরিবারের বাড়িতে ছুটে গিয়েছি এবং আমি শিগগিরই তাদের একটি পাকা বসতঘর নির্মাণ করে দেবো। এ ছাড়াও দুমকি উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের পাশে থেকে তাদের খেদমত করতে চাই।’
প্রসঙ্গত, পটুয়াখালীর দুমকিতে মরহুম হেমন্ত বিশ্বাসের প্রতিবন্ধী মেয়ে হরিবালা বিশ্বাস ও তার একমাত্র বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী সহোদর হেমলাল বিশ্বাসের পাশে নেই কেউ। সহায়সম্বলহীন ভাইবোন পৈতৃক সূত্রে মাত্র দেড় শতাংশের ভিটিতে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও হেলে পড়া জরাজীর্ণ ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নেয়া কর্মক্ষমতাহীন সহোদর এলাকাবাসীর কাছে চেয়ে চিন্তে খেয়ে না খেয়ে পৈতৃক ভিটিতে শীত, বর্ষায় দুঃসহ জীবন কাটাচ্ছে। হতদরিদ্র এ পরিবারের দুরবস্থার বাস্তব চিত্রটি নয়া দিগন্তের বাংলার দিগন্ত পতায় প্রকাশিত হলে প্রতিবন্ধী পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই মেলে।
নয়া দিগন্তে সংবাদ প্রকাশ
পাকাঘর পাচ্ছেন দুমকির সেই প্রতিবন্ধী পরিবার
‘দুমকিতে দুই পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই’ শিরোনামে গত রোববার নয়া দিগন্তে সংবাদ প্রকাশের পর পাকা বসতঘর পাচ্ছেন দুই প্রতিবন্ধী পরিবার। উপজেলার মাল্টা আওয়ামী লীগের...



