লোহাগাড়ায় এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে অপর ছাত্রলীগকর্মীর পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। আহত ছাত্রলীগ কর্মী মামুন বর্তমানে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের চাম্বি লেক থেকে আসার পথে মোটরসাইকেল আরোহী এক যুগলকে আসামিরা ধাওয়া করেন। স্থানীয়রা যুগলকে আসামিদের কবল থেকে রক্ষা করেন। পর দিন ৯ ফেব্রুয়ারি এ ঘটনার ব্যাপারে স্থানীয়দের সাথে আসামিদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে মামুনুর রশিদের সাথে আসামিদের বাকবিতণ্ডা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ২টার দিকে উপজেলা সদরের টার্ফ স্পোর্টস অ্যারেনার সামনে আসামিরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মামুনুর রশিদের উপর হামলা করেন।
ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মামুনুর রশিদের মাথা ফেটে যায় ও পায়ের রগ কেটে দেয়া হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় মামুনুর রশিদকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
আহত মামুনুর রশিদ উপজেলার আধুনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ হরিণা পাঠার পাড়ার আবুল হাশেমের ছেলে ও চট্টগ্রাম কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
এ ঘটনায় ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে মামুনের বাবা লোহাগাড়া থানায় মামলাটি করেন। এতে আলহাজ মোস্তাফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানবীর আহমদ ফাহিম, মোহাম্মদ রাকিব, মোহাম্মদ আকিব, মোহাম্মদ রানার নাম উল্লেখ করে ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।