বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের রাস্তা রক্ষার দাবিতে প্রায় এক হাজার নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থী রাস্তায় দাঁড়িয়ে হাতে হাত রেখে শুক্রবার বেলা ১১টায় উপজেলার গোড়তা গ্রামে তারা মানববন্ধন করে।
মানববন্ধনে তারা জানান, স্বাধীনতার পর থেকে গোড়তা গ্রামে যাওয়ার জন্য তেমন উপযুক্ত কোনো রাস্তা তৈরি হয়নি। বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ভোটের সময় গিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এলেও রাস্তাটি হয়নি। রাস্তা না থাকায় ওই গ্রামে লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া। গত প্রায় এক মাস আগে স্থানীয়দের নিয়ে গ্রামবাসী মিটিং করে। পরে ওই মিটিংএ তারা গোড়তা হতে চৌমহুনী টু ছোনকা রাস্তার সাথে সংযুক্ত করার জন্য যে জমি লাগবে, সেই জমির মালিকদের থেকে দান বা ক্রয় করে নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সেই মোতাবেক এক হাজার ২৩০ ফিট দূরত্ব রাস্তাটি কদুনাথ, মুক্তার রহমান, মুরাদ রহমান, অমল চন্দ্র সরকার, সবুজ মণ্ডল, মাসুদ রানা, মহাব্বত মণ্ডল, সুকামার চন্দ্র, রবিন্দ্রনাথ, মোখলেছুর রহমান জমি দান করে তখন গ্রামবাসী রাস্তা তৈরি করে। এই রাস্তার মধ্যে হেমন্ত মাস্টার নামের এক জমির মালিকে প্রায় আট শতক জমি রাস্তার মধ্যে যায়। তখন গ্রামবাসী ওই আট শতক জমি বাজার অনুয়ায়ী ক্রয় করে নিতে চাইলেও তিনি বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত জানান। এ নিয়ে গ্রামবাসী ও ওই মাস্টারের গ্রুপের সাথে ব্যাপক উত্তোজনা বিরাজ করে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত রাখে।
এ বিষয় হেমন্ত মাস্টার বলেন, আমার ১০ শতক জমি গেছে। কিন্তু আমাকে কোনো কিছু না জানিয়ে গত ৭ জানুয়ারি তারা আমার জমির মধ্যে দিয়ে রাস্তা করেছে। আমি প্রশাসনের আশ্রয় নিয়েছি। এখন পর্যন্ত কোনো শুরহা হয়নি।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, হেমন্ত মাস্টারের জমির মধ্যে দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা তৈরি করে নেয়ার অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শেরপুরে রাস্তা রক্ষায় নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের রাস্তা রক্ষার দাবিতে প্রায় এক হাজার নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থী রাস্তায় দাঁড়িয়ে হাতে হাত রেখে শুক্রবার বেলা ১১টায় উপজেলার গোড়তা গ্রামে...



